সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আইন অমান্য করে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করায় ৫ দিনের জেল হেফাজত হয়েছিল ককরোচ নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কার (CJP Leader)। তবে দিল্লি পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত ওই দুই নেতার দু’দিন জেল হেফাজত বাড়িয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, সিজেপির নেতারা আইন তোয়াক্কা করে না। এমনকি জামিন মঞ্জুর করলে ফের আইন ভঙ্গ করতে পারেন তাঁরা। এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে।
দু’দিনের জেল হেফাজত বাড়ল সৌরভ এবং আশুতোষের
দিল্লির যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সত্ত্বেও মঙ্গলবার পুলিশি নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে সেখানে পতাকা ওড়ান সৌরভ এবং আশুতোষ। তার পরপরই দিল্লি পুলিশ তাঁদেরকে গ্রেফতার করে। আদালতের তরফ থেকে দুই নেতাকে ৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সোমবার দিল্লি পুলিশ দুই সিজেপি নেতার জেল হেফাজত বাড়ানোর আবেদন জানায় আদালতে। তা মঞ্জুর করেন ম্যাজিস্ট্রেট। সেই ইস্যুতে এবার সুর চড়িয়েছেন ককরোচ প্রধান অভিজিৎ।
সিজেপি নেতার অভিযোগ, খুনের দোষী সাব্যস্তকে আদালত মুক্তি দিচ্ছে। কিন্তু ককরোচ নেতার জামিন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। যদিও আদালতের তরফ থেকে আশুতোষ এবং সৌরভের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, আইনের প্রতি তাঁদের শ্রদ্ধা নেই। তাই তাঁদের আরও দু’দিন জেল হেফাজতে থাকতে হবে। এমনকি আমজনতাকে রীতিমতো প্রভাবিত করে চলেছেন এই দুই নেতা। যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদস্থল থেকে বাদ দেওয়া সত্ত্বেও সেখানে তাঁরা উস্কানি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: চোরবাগানকাণ্ডে বাংলাদেশের যোগ? কোচবিহার থেকে গ্রেফতার আইনুল হক
আদালতের দাবি, শর্তসাপেক্ষে ১১ অক্টোবর ওই দুই নেতা ছাড়া পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও যন্তর মন্তর, কনট প্লেসসহ একাধিক জায়গায় তাঁরা আন্দোলনের ডাক দেয়। আইনের প্রতি তাঁরা সম্মান দেখাননি এবং তাঁদের জামিন মঞ্জুর করলে আগামী দিন ফের যে আইন ভাঙবেন না তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। সেই সূত্রে আগামী বুধবার ওই দুই নেতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হবে। এমনকি আদালত আরও জানিয়েছে, আইন ভাঙাই এই নেতাদের অভ্যাস।










