রিলায়েন্সের সাথে ভারতে প্রথম AI ডেটা সেন্টার তৈরি করছে Meta, ঘোষণা জাকারবার্গের

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টেক জায়ান্ট গুগলের 15 বিলিয়ন ডলারের AI হাব প্রকল্পের পর এবার ভারতে নিজেদের প্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টার (Meta AI Data Center In India) তৈরি করছে Meta। ইতিমধ্যেই সেই ঘোষণা করেছেন ফেসবুক তথা Meta-র কর্ণধার মার্ক জাকারবার্গ। ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদা এবং গুরুত্ব বুঝে গুজরাতের জামনগরে AI ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে বড় চুক্তি করেছে Meta।

ভারতে প্রথম AI ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে মুখ খুললেন মার্ক জাকারবার্গ

আম্বানি সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সাথে হাত মিলিয়ে Meta গুজরাতের মাটিতে যে নতুন AI ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে সেটির ধারণ ক্ষমতা হবে 168 মেগাওয়াটের। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের হাত ধরে তৈরি হতে যাওয়া এই ডেটা সেন্টারে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যার্টফর্মের AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত কাজ করবে Meta।

Meta CEO মার্ক জাকারবার্গের ভাষায় এখানে পার্সোনাল সুপারইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ চলবে। সেই মর্মে ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছেন ফেসবুকের কর্ণধার জাকারবার্গ। মার্কিন ব্যবসায়ী বলেছেন, “ভারতে আমাদের প্রথম AI সক্ষম ডাটা সেন্টার নির্মাণে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত। জামনগরের এই বিশ্বমানের ডেটা সেন্টারটি AI ইন্ডাস্ট্রিতে আমাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত পরিকাঠামোকে প্রসারিত করতে সাহায্য করবে এবং ভারতের অর্থনীতিতে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকে নিশ্চিত করবে।”

অবশ্যই পড়ুন: রাতের অন্ধকারে আফগানিস্তানে এয়ার স্ট্রাইক পাকিস্তানের, নিহত ১৩ জন নিরীহ

প্রসঙ্গত, রিলায়েন্সের সাথে হাত মিলিয়ে নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির AI সংক্রান্ত কাজ করার জন্য Meta যে বিরাট ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে সেটি আগামী দিনে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অন্যতম আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠবে ঠিকই, তবে সমস্যা হল এই ডেটা সেন্টার চালাতে হলে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ এবং জলের প্রয়োজন। যে কারণে স্থানীয় স্তরে ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছে এই প্রকল্প! যদিও মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা জানিয়েছে, তাদের ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য স্থানীয় মিষ্টি জলের প্রয়োজন পড়ে না। বরং তারা সম্পূর্ণ নবায়নযোগ্য শক্তি এবং লবণ মুক্ত সমুদ্রের জল ব্যবহার করে থাকে।