আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ভারতের মতন কৃষিপ্রধান দেশে গরিব কৃষকদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বর্তমান। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি বা পিএম কিষাণ (PM Kisan)। এই প্রকল্পের আওতায় থাকা যোগ্য কৃষক পরিবারগুলিকে সরকারের তরফ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। গরিব কৃষকদের কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনতে এই অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি পিএম কিষাণ প্রকল্পকে ঘিরে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা বছরে ১০ হাজার টাকা করে পেতে পারেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল।
কত টাকা দেওয়া হয়?
পিএম কিষাণ প্রকল্পের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, যোগ্য কৃষক পরিবারগুলিকে বছরে মোট ৬ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই ৬ হাজার টাকা কিন্তু কৃষকদের একবারে দেওয়া হয় না। বছরে তিনটি সমান কিস্তিতে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হয়। অর্থাৎ প্রতিটি কিস্তিতে ২ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের নির্দিষ্ট যোগ্যতার মাপকাঠি রয়েছে, সেগুলি পূরণ করতে পারছে এমন কৃষকরাই কেবল এই সুবিধা পেয়ে থাকেন।
পিএম কিষাণের আওতায় বছরে ১০ হাজার টাকা পাওয়ার যে দাবি বর্তমানে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, তার সঙ্গে সরকারি তথ্যের মিল নেই। প্রকল্পের নির্ধারিত বার্ষিক সহায়তার পরিমাণ এখনও ৬ হাজার টাকাই রয়েছে। তাই সামাজিক মাধ্যম বা অন্য কোনও মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা পাওয়ার খবর দেখলে সেটিকে সরকারি ঘোষণা হিসেবে ধরে নেওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। ভুল তথ্যের কারণে কৃষকদের মধ্যে অকারণে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
#PMKISAN के तहत ₹10,000 सालाना मिलने की भ्रामक खबर से सावधान!
वायरल दावा: ₹10,000 सालाना
सही जानकारी: पात्र किसान परिवारों को ₹6,000 सालाना, तीन समान किस्तों में दिए जाते हैंसही जानकारी के लिए केवल आधिकारिक सरकारी स्रोतों पर भरोसा करें।
वेबसाइट: https://t.co/RFsuz95f5Z pic.twitter.com/jnv2T6qeia— PM Kisan Samman Nidhi (@pmkisanofficial) September 8, 2026
আরও পড়ুন: ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে সঙ্গমরত পথকুকুরের যৌনাঙ্গ, তাহেরপুরে ধৃত মাংস ব্যবসায়ী
সরকারি তথ্য কোথায় পাবেন?
পিএম কিষাণ সংক্রান্ত যেকোনও খবর বা আর্থিক সুবিধার পরিমাণ ইত্যাদি বিষয়ে সঠিকভাবে জানতে হলে শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের তথ্যের উপর নির্ভর করা উচিত। প্রকল্পের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আপডেটের জন্য পিএম কিষাণের সরকারি ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে নজর রাখতে পারেন। সঠিক তথ্য যাচাই না করে কোনও ভাইরাল খবর বিশ্বাস বা শেয়ার না করাই ভালো।









