৭০ টাকার রাইড ১৫০ টাকা! তীব্র তাপপ্রবাহে দ্বিগুণ হচ্ছে র‍্যাপিডোর ভাড়া

Published:

Rapido

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লিতে (Delhi) চরম তাপপ্রবাহ এবার সরাসরি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের রোজকার যাতায়াতের উপর। হ্যাঁ, একদিকে তপ্ত রোদ আর অন্যদিকে মরার উপর খাড়ার ঘা-র মতো চেপে বসছে অনলাইন বাইক-ট্যাক্সি পরিষেবা র‍্যাপিডোর (Rapido) লাগামহীন ভাড়া বৃদ্ধি। বিশেষ করে দুপুরের দিকে একলাফে ভাড়ার অংক এবার দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। তার উপর চালকদের বুকিং বাতিলের হিরিক নিত্য যাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

৭০ টাকার রাইড ১৫০ টাকা

দিল্লির একাধিক রুটে যাত্রীদের অভিযোগ, সকালে যে সমস্ত রুটের ভাড়া স্বাভাবিক থাকে, সেই ভাড়া দুপুরের চড়া রোদে দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। সকালে যে দূরত্বের ভাড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়, ঠিক দুপুরে সেই একই রাইড এর জন্য অ্যাপে ভাড়া দেখাচ্ছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। এমনকি এত চড়া ভাড়া দিতে রাজি হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে বাইক মিলছে না। তীব্র রোদ আর লু-র দাপট থেকে বাঁচতে দুপুরের দিকে অনেক র‍্যাপিডো চালক বা ক্যাপ্টেন রাইড নেওয়া বন্ধ রাখছেন। যার ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনও বাইক মিলছে না।

এদিকে রোজকার যাতায়াতে সবথেকে বেশি নাজেহাল হচ্ছে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা। কারণ, অনেকের বাড়ি বা অফিস থেকে মেট্রো স্টেশন কিংবা কাছের বাজারের দূরত্ব দুই থেকে তিন কিলোমিটার। যাত্রীদের অভিযোগ, বুকিং করার পর যখনই চালকরা দেখেন যে গন্তব্য অনেকটা কাছে, তখন তারা সঙ্গে সঙ্গে সেই রাইড ক্যানসেল করে দিচ্ছেন। এমনকি অনেক সময় রাইড পাওয়ার আশায় যাত্রীরা অ্যাপে অতিরিক্ত টিপস যোগ করছেন। তবে তাতেও মন গলানো যাচ্ছে না চালকদের।

আরও পড়ুন: আর রেড রোড নয়, নামাজ পড়ার নতুন জায়গা বেছে দিল রাজ্য সরকার

এদিকে তীব্র গরমের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেমন কষ্টকর, ঠিক তেমনই সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছনোও অসম্ভব হয়ে উঠছে। সেই পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি বিপাকে পড়ছেন দুপুরের শিফটে যাদের অফিস থাকে বা ফিল্ড ওয়ার্কের মতো কর্মচারীরা। পাশাপাশি ক্লাস বা পরীক্ষার সময় রাইড বাতিল হওয়ার কারণে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারাও বিপাকে পড়ছে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই অটো কিংবা বিকল্প পরিবহনের সাহায্য নিতে হচ্ছে মহিলা বা দৈনন্দিন যাত্রীদের। যা দিনের পর দিন মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।