১০০ বছরের পুরনো হিন্দু মন্দির ভাঙল পাকিস্তান, তৈরি হবে মাদ্রাসা

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানে (Pakistan) দিন দিন হিন্দুদের উপর অত্যাচার এবং নিপীড়ন বেড়েই চলেছে। পশ্চিমের দেশে হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলার মতো ঘটনা ঘটে প্রায়শই। তেমনই আরেকটি ঘটনা এবার প্রকাশ্যে এসেছে। জানা যাচ্ছে, মাদ্রাসা তৈরি করা হবে বলে 100 বছরের পুরনো একটি হিন্দু মন্দির (Pakistan Hindu Mandir) ভেঙে ফেলা হয়েছে পাকিস্তানে। যেই ঘটনায় উত্তপ্ত পশ্চিমের প্রতিবেশী। পাকিস্তানের স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের অভিযোগ, মাদ্রাসার জন্য জমি প্রয়োজন বলেই ওই হিন্দু মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে খোদ শেহবাজ শরীফ সরকার।

100 বছরের মন্দির ভেঙে দিল পাকিস্তান!

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামের 1000 বর্গমিটার জায়গার উপর তৈরি হয়েছিল হিন্দু মন্দিরটি। 100 বছরেরও বেশি সময় আগে তৈরি হওয়া এই মন্দির গত 21 আগস্ট ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেই অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিবের সাথে দেখা করে লিখিত অভিযোগ জানান পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টির চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা।

ওই অভিযোগপত্রে মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনায় সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে কট্টরপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তানের সদস্যরাও জড়িত! জানা যাচ্ছে, মন্দিরটি ভেঙে ফেলার পর সেটির ধাতব অংশ সহ অন্যান্য ইট, পাথরগুলিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইজির রহস্য মৃত্যু, দেহ উদ্ধার করল পুলিশ

পাকিস্তানের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অভিযোগ, ওই হিন্দু মন্দিরটির পাশের একটি জমি এভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড একটি মাদ্রাসার জমির জন্য লিজ দিয়েছিল। তবে চুক্তি মতো কয়েক বছর ধরে লিজের টাকা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায় ওই লিজ বা ভাড়ার চুক্তি। আর তারপরেই নাকি মন্দিরের ওই জমি হাতানোর চক্রান্ত শুরু করেন মাদ্রাসার উদ্যোক্তারা। এদিকে হিন্দুদের এমন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সরকার। যদিও সরকারি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, মন্দিরটি 100 থেকে 125 বছর পুরনো। আর সেই মন্দির ভেঙে ফেলায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাকিস্তানি হিন্দুরা। তাঁদের দাবি, মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে দেখেও সেটা রক্ষা করতে কোনও পদক্ষেপ নেননি সরকারি আধিকারিকরা।

আরও Hindus Pakistan Temple