বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে (Pakistan Army) আগেই হয়ে গিয়েছিল রদবদল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমের দেশের পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিলেন সে দেশের সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির (Asim Munir)। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তান সেনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং ঘনিষ্ঠ এক অফিসারকে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন মুনির। আর মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু শক্তির নিয়ন্ত্রণ আসতেই কিছুটা হলেও চিন্তা বেড়েছে ভারতের, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি এখন মুনিরের নিয়ন্ত্রণে
সংবিধান সংশোধন করে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বড় পরিবর্তন এনেছিল সে দেশের সরকার। ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছিল অসিম মুনিরের। না বললেই নয়, গত বছর অর্থাৎ 2025 সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের 27তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হয়ে গিয়েছিল পাক পার্লামেন্টে। পরবর্তীতে সেই বিলে সই করে দেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি।
জানা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ওই বিলে সই করার পরই নির্দিষ্ট আইনের মাধ্যমে পাকিস্তানের পরমাণু হাতিয়ারের জন্য একটি ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড তৈরি করার কথা বলা হয়। একই সাথে এ-ও বলা হয়েছিল, এই গোটা বিষয়টির দায়িত্ব থাকবেন পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেই ঘোষণার 8 মাস পর অবশেষে আনুষ্ঠানিক নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ শুরু করল ইসলামাবাদ। ফলে পাকিস্তানের পরমাণু শক্তির নিয়ন্ত্রণ এখন মুনিরের হাতেই।
কিছু পাক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার থেকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রশস্ত্র সহ দেশটির কৌশলগত যাবতীয় সম্পত্তির দেখভালের দায়িত্ব থাকবে নবগঠিত ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড এর হাতে। আর এই কমান্ডে মুনির নিয়োগ করেছেন তাঁর বিশ্বস্ত সেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আমির রাজাকে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আমির রাজা দায়িত্বে থাকলেও উপর থেকে কলকাঠি নারবেন মুনিরই।
অবশ্যই পড়ুন: “সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে!” তবে এই একটা ক্ষেত্রে বৈভবকে নজর দেওয়ার পরামর্শ লক্ষ্মণের
কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সংবিধান সংশোধনের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানের প্রশাসনিক থেকে শুরু করে সামরিক সহ একাধিক ক্ষেত্রের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন মুনির। সেই তালিকায় এবার জুড়ে গেল পরমাণু শক্তিও। আর এই গোটা বিষয়টি ভারতের জন্য একপ্রকার হুমকি তা বলাই যায়! যদিও সার্বিক বিষয়ের উপর নজর রাখছে নয়া দিল্লি।










