ঘুম ভাঙবে পাখির ডাকে, বর্ষায় ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের অজানা প্যারাডাইস ‘কাইয়াভির’ থেকে

Published:

Kaiyavir Darjeeling

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কাজের চাপে পিষে যাচ্ছেন? বর্ষায় কোথাও ঘুরতে যেতে মন চাইছে? কেমন হয় যদি দুটো দিন কোনও পাহাড়ি ভ্যালিতে কাটানো যায়, যেদিকে তাকাবেন চোখের সামনে শুধুই থাকবে পাহাড় আর পাহাড়। শুনে লোভ লাগছে তো? ভাবছেন এরকম জায়গা কোথায় আছে? তাহলে সেজন্য আপনাকে যেতে হবে উত্তরবঙ্গ। এই উত্তরবঙ্গ হল অফবিট জায়গার খনি। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে এখনও অবধি এমন কিছু জায়গা আছে যা লোক চক্ষুর আড়ালে বিশেষ করে পর্যটকদের কানে পৌঁছায়নি সেই জায়গার নাম। আজ তেমনই একটি জায়গা সম্পর্কে খোঁজ দেব যেখানে গেলে আপনি আপনার চোখকে বিশ্বাস করতে পারবেন না। আজ কথা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের অফবিট ‘কাইয়াভির’ (Kaiyavir) গ্রাম নিয়ে। চলুন জায়গাটি সম্পর্কে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

বর্ষায় ঘুরে আসুন ‘কাইয়াভির’ থেকে

এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন এই কাইয়াভির কোথায় অবস্থিত? এটি দার্জিলিং জেলার একদম অফবিট গ্রাম। এটি একটি ঔষধি গ্রাম। অনেকে সুখিয়াপোখরি গিয়েছেন কিন্তু এই জায়গায় যাননি। কাইয়াভিরে আছে থাকার জন্য হাতেগোনা কয়েকটি হোমস্টে,পাহাড় চা বাগান। পাহাড়ের উপর ছোট ছোট বাড়ি,জঙ্গল দেখলে আপনার মন ভরে যাবে।

ভাবতে বাধ্য হবেন এরকম জায়গা উত্তরবঙ্গে আছে! এখানে আপনার ঘুম ভাঙবে পাখির ডাকে। জানালা খুললে চোখের সামনে ভেসে উঠবে উপত্যকা এবং সুউচ্চ পাহাড়। একদম নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশ, ঠান্ডা আরামদায়ক আবহাওয়া আপনার অশান্ত মনকে শান্ত করে দেবে। এখানে দিন কীভাবে কেটে যাবে টেরও পাবেন না। কাইয়াভিরে এলে আপনা রমনে হবে ক্যালেন্ডার থেকে বেরিয়ে আসা কোনও গ্রাম। এখানকার মানুষজন, প্রকৃতি এতটাই ভালো যে আপনার ফিরে আসতে মন চাইবে না।

এখানকার হোমস্টেগুলিও এত ভালো যে একদম চুপচাপ বসে থাকতে ভালো লাগবে। বর্ষার সময়ে এই জায়গার রূপ আরও অপরূপ হয়ে ওঠে। একদমই আনটাচড একটি জায়গা হল কাইয়াভির। এখানে আপনি পাহাড়ের ধাপে ধাপে থাকা কটেজে রাত্রিবাস করতে পারবেন। ব্যালকনি থেকেই পুরো কাঞ্চনজঙ্ঘা বা কাইয়াভির রেঞ্জ দেখতে পাবেন। দেখতে পাবেন পাইন গাছের সমাহার। এখানে এসে আপনি হাইকিং, বাইকিং এবং বার্ডিং করতে পারবেন। এক কথায় এসবের একদম প্যারাডাইস।

কীভাবে যাবেন?

নিশ্চয়ই ভাবছেন এরকম ছবির মতো সুন্দর জায়গায় যাবেন? জায়গাটি সুখিয়া বাজার থেকে মাত্র ১.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই কাইয়াভির আসতে চাইলে শেয়ার গাড়িতে প্রথমে শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় থেকে আসতে হবে সুখিয়া, এরপর সেখান থেকে