সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নতুন করে অসহনীয় গরম পড়ছে বাংলায়। সকলের প্রাণ রীতিমতো ওষ্ঠাগত। ফলে এই গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই অনেক জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন। আপনিও কি এমন জায়গা খুঁজছেন যেখানে গেল শরীর ও মন দুইই ঠান্ডা হয়ে যাবে? তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন। আজ আপনাদের এমন এক অফবিট জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে আপনি সেখানকার প্রেমে পড়ে যাবেন। সর্বোপরি বরফ পাবেন। সেইসঙ্গে দেখা পাবেন রডোডেনড্রন গাছের। চলুন তাহলে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।
এই গরমে ঘুরে আসুন টোংলু
আজ আপনাদের বলব নির্জন উপত্যকা টোংলু (Tonglu) নিয়ে। আপনারও যদি এই গরমের ছুটিতে বরফ সঙ্গে অনেক নাম না জানা পশু পাখি, গাছের সান্নিধ্য পেতে চান তাহলে এই টোংলু আপনার জন্য একদম পারফেক্ট জায়গা হতে চলেছে। অবশ্য যদি কপাল ভালো থাকে তবেই আপনি এই সময়ে বরফের দেখা পেতে পারেন। বিশেষ করে আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী হয়ে থাকেন তাহলে এই টোংলু আপনাকে হতাশ করবে না। নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন থেকে প্রায় ৭২ কিমি দূরত্বে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,১৩০ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত টোংলু। সান্দাকফু যাওয়ার পথে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট এই গ্রামে যাওয়া যায় ট্রেকিং বা গাড়িতে করে।
আরও পড়ুনঃ ডুয়ার্সের রত্ন, গেছেন খুব কম মানুষ! ঘুরে আসুন বর্ষায়
দার্জিলিং-এর মানেভঞ্জন থেকে সান্দাকফু যাওয়ার পথে যে ছোট গ্রামটি পড়বে সেটাই হল টোংলু। এই গ্রাম থেকে আপনি কিছু রুদ্ধশ্বাস দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতমালার। এই শৃঙ্গের দৃশ্য এই গ্রাম থেকে এত সুন্দর পাবেন যে জীবনের স্ট্রেস, ডেডলাইন কাকে বলে তা নিমিষে ভুলে যাবেন। রডোডেনড্রন ফুল আপনাকে গ্রামে সুস্বাগতম জানাবে। এই টোংলুকে পর্যটকরা মিনি প্যারাডাইস বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
কীভাবে যাবেন?
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন এই টোংলু কীভাবে পৌঁছাবেন? এনজিপি বা শিলিগুড়ি থেকে একটি গাড়ির রিজার্ভ করে মিরিকের আঁকাবাঁকা রাস্তা ও চা বাগান ক্রস করে ঘন্টা ৫-৬-এর মধ্যেই চলে আসতে পারেন টোংলু ।










