সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রোজনামচা জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছেন? একটু শান্তির খোঁজে কোথাও ঘুরতে যাবেন বলে ভাবছেন? অথচ হাতে ছুটি কম? তাহলে চিন্তা নেই, কারণ আজ আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গিয়ে থাকা খাওয়া ঘোরার জন্য দুদিন যথেষ্ট। চারিদিকে পাহাড়, সেইসঙ্গে বয়ে চলেছে মূর্তি নদী, আর সেই নদীর জলে পা ভিজিয়ে বসে আছেন। এরকম অনুভূতি পেতে লোভ হচ্ছে? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন একদম অফবিট জায়গা ‘ভাট্টি’ (Bhatti) থেকে।
দুদিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন ‘ভাট্টি’ থেকে
নামটা খটমট শোনালেও জায়গাটা কিন্তু দুর্দান্ত। একবার সেখানে গিয়ে পৌঁছালে চোখ ফেরানো মুশকিল হয়ে যাবে। এই বর্ষায় আপনি ফুলে ফেঁপে ওঠা পাহাড়ি নদীর ধারে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা নিতে চাইলে মূর্তি নদীর ধারে ভাট্টি একদম আদর্শ ডেস্টিনেশন হবে আপনার জন্য। হ্যাঁ ঠিকই আন্দাজ করেছেন, আজ কথা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের সুন্দর ডুয়ার্সের একদম মন মাতানো জায়গা ভাট্টি নিয়ে। এই জায়গা সম্পর্কে পর্যটকরা এখনও অবধি খুব একটা বেশি জানেন না। বলতে গেলে অজানাই।
এই বর্ষায় বক্সা, জয়ন্তী ছেড়ে দুদিনের ছুটিতে অনায়াসেই ঘুরে যেতে পারেন ভাট্টি। এই জায়গা আপনাকে হতাশ করবে না। এখানে এলে শুধুই পাবেন বুক ভরা নিঃশ্বাস এবং অপার শান্তি। হ্যাঁ আওয়াজের মধ্যে পাবেন শুধু পাখিদের কিচিরমিচির যা খুব একটা মন্দ লাগবে বলে মনে হয় না। এই ভাট্টি আপনাকে ডুয়ার্সের এক অন্যই গল্প বলবে। বিখ্যাত রকি আইল্যান্ডের কাছেই অবস্থিত জায়গাটা এখনও বেশ অফবিট। খুব একটা হোমস্টে বা হোটেল তেমন কিছুই নেই। তবে প্রকৃতি র মাঝে থাকতে চাইলে এই জায়গা একদম আদর্শ। এখান থেকে আপনি চালসা ভিউ পয়েন্ট, সামসিং ভিউ পয়েন্ট, ডামডিম মনেস্ট্রি ঘুরে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন ছবির মতো সুন্দর ভাট্টিতে কীভাবে পৌঁছাবেন? সেক্ষেত্রে নিউ মাল জংশন স্টেশন থেকে শেয়ার গাড়িতে সামসিং বসতি, সামসিং বসতি থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে রকি আইল্যান্ড। রকি আইল্যান্ড থেকে ভাট্টি যেতে খুব একটা সমস্যা হবে না।










