সহেলি মিত্র, কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Monsoon In South Bengal) প্রায় এসেই গেল। আর এই সময়ে বর্ষার আসল মজা কোনও জঙ্গলেই মেলে। ফলে আপনিও কি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার কথা ভাবছেন? এমন জায়গায় যেখানে যেদিকের দু চোখ যাবে শুধু জঙ্গলই আর জঙ্গল থাকবে? তাহলে আজ আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে আপনার মন জুড়িয়ে যাবে। সর্বোপরি এমন এক জায়গা যাকে অনেকে আবার দক্ষিণবঙ্গের ডুয়ার্সও বলেন। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন জায়গা? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন বাঁকুড়া জেলার ‘সুতান ফরেস্ট’ (Sutan Forest) থেকে।
ঘুরে আসুন দক্ষিণবঙ্গের ‘ডুয়ার্স’ থেকে
হ্যাঁ আজ আপনাদের বাঁকুড়া জেলায় অবস্থিত ‘সুতান’ সম্পর্কে তথ্য দেব। এমন এক জায়গা যেটি বর্ষাকালে আলাদাই রূপ ধারণ করে। যেখানে আপনি ডুয়ার্স যাওয়ার অনেক কম খরচে ঘুরে আসতে পারেন। সুতান হল দক্ষিণবঙের একদম অফবিট ডেস্টিনেশন। বর্ষার মরশুমে বাংলা কতটা সবুজ হয়ে উঠতে পারে তা ডুয়ার্স-এর পাশাপাশি এখানে এলেও বুঝতে পারবেন অনায়াসে।
১২ মাইল জঙ্গলের মধ্যে পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত সুতান। এখান থেকে সহজেই ঘুরে দেখা যাবে সুতান পাহাড়, অম্বিকানগর রাজবাড়ি, তালবেরিয়া লেক, মুকুটমণিপুর, পরেশনাথ ইত্যাদি। যারা শান্ত এবং নিস্তব্ধ পরিবেশ থাকবে পছন্দ করেন তাঁদের কাছে সুতানের জঙ্গল আলাদাই মাহাত্ম রাখে। প্রকৃতিপ্রেমী ও শান্তি খুঁজতে আসা পর্যটকদের কাছে হয়ে উঠছে আদর্শ গন্তব্য।সুতানের জঙ্গল বাঁকুড়া জেলার ঝিলিমিলি বনাঞ্চলের অন্তর্গত এলাকা হিসেবে পরিচিত।
কীভাবে যাবেন?
বাঁকুড়া শহর থেকে সড়কপথে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জঙ্গলে পৌঁছে যাওয়া যাবে সহজেই। কলকাতা থেকে বাঁকুড়া রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রথমে রাইপুর বা রানিবাঁধের দিকে বাস বা চারচাকা গাড়িতে যেতে হয়। সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহনে সুতান গ্রাম ও তার লাগোয়া জঙ্গল এলাকায় পৌঁছে যেতে পারবেন।










