অনন্যা সরকার, কলকাতা: ভারতবর্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢুকে পড়েছে বর্ষা (Wet season)। বঙ্গজুড়েও কখনো সখনো দু-এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ কিছুটা কমলেও পুরোপুরি গরমের হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যায় না বর্ষাকালে। তাই আরাম পেতে অগত্যা এসি (Air conditioning) সাহায্য নিতেই হয়। কিন্তু বর্ষায় অতিরিক্ত আর্দ্রতা কমাতে, আরামদায়ক বাতাবরণের জন্য এসি চালানোর কিছু নিয়ম (AC Hacks) আছে। এগুলো মেনে চললে এসির বিলও অনেকটা বাঁচানো যাবে। বর্ষা শুরুর আগেই আসুন নিয়মগুলো একবার দেখে নেওয়া যাক।
বর্ষায় এসি চালানোর নিয়ম
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে এসি-তে কুল মোডের (কুল Mode) থেকে ড্রাই মোড (Dry Mode) অনেক বেশি কার্যকরী হয়। কারণ এসময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ড্রাই মোড কনডেন্সেশন পদ্ধতিতে ঘরের মধ্যে থাকা জলীয় বাষ্প গুলোকে জমিয়ে ঠান্ডা করে দেয়। তারপর সেই বাতাসকে সামান্য গরম করে ঘরের ভেতর ছেড়ে দেওয়া হয়, এতে তাপমাত্রা খুব বেশি নামে না কিন্তু জলীয় বাষ্প কমে যায়। এই মোডে ২৬-২৭ ডিগ্রিতে এসি চালিয়ে রাখলে একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয় ও ঘর শুষ্ক থাকে।
ড্রাই মোডে এলার্জি, সাইনাস বা অ্যাজমার সমস্যা কম হয়। আর সর্বোপরি কুল মোডের তুলনায় ইলেকট্রিকের বিলও কম আসে। বৃষ্টির দিনে বা বৃষ্টি শেষে যখন বাইরে ভ্যাপসা গরম, তাপমাত্রা বেশি না থাকলেও আদ্রতার প্রকোপে অস্বস্তিজনক পরিবেশ তৈরি হয় তখন ড্রাই মদ বিশেষভাবে উপযোগী।
মনে রাখতে হবে, ড্রাই মোডে ফ্যানের স্পিড বেশি রাখলে চলবে না, মিডিয়াম বা অটো স্পিডে চালানো যেতে পারে। তবে বাইরে যখন আর্দ্রতার সাথে সাথে তাপমাত্রাও খুব বেশি তখন কিন্তু ড্রাই মোড অতটা কাজ করবে না। শুধুমাত্র বর্ষার সময়ের জন্যই এই মোডটি কার্যকরী। তাই বর্ষার দিনে টেম্পারেচার ২৬-২৭-এ রেখে এসির ফ্যানের স্পিড লো বা অটো করে সিলিং ফ্যান চালিয়ে রাখলে ঘরের মধ্যে বাতাস সমানভাবে ছড়িয়ে যাবে। এতেই একটা আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গের মতো জায়গায় যেখানে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি, সেখানে বর্ষার সময় ড্রাই মোডে এসি চালানো খুবই কার্যকরী।










