“…. আমি আর থাকব না” এবার মমতাকে হুঁশিয়ারি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবির পরই সংখ্যা কমছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দলে। দু ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকাংশের উপস্থিতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। যার নাম নব্য তৃণমূল। ঋতব্রতরা অবশ্য নিজেদের আসল তৃণমূল বলেই দাবি করেন। এদিকে দিন যত যাচ্ছে মমতার শিবির ছেড়ে নতুন তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বিধায়করা। এরই মাঝে এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। একুশে জুলাইয়ের আগে বাঁকুড়ার এক সভা থেকে বড় মন্তব্য করলেন কল্যাণ।

মমতার সাথে আর থাকবেন না কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?

জয়ী বিধায়কদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়েছেন 20 জনের বেশি সাংসদ। জুন মালিয়া থেকে শুরু করে কাকলী ঘোষ দস্তিদার, দেব, সায়নী ঘোষরা এখন বিজেপি সমর্থিত NCPI দলে। এবার সেই সব বিদ্রোহীদের বেইমান আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করে দিলেন কল্যাণ। বাঁকুড়ায় একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের প্রস্তুতি সভায় হাজির হয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় দিদির দলে থাকার শর্ত বেঁধে দিলেন।

কল্যাণ জানালেন, “যদি এদের কাউকে আর দলে নেন, তাহলে আমি আর থাকব না। দল ছেড়ে চলে যাব। আমি পাবলিকলি জানিয়ে দেব এই লোকগুলোকে নিয়েছেন বলেই আমি দল ছাড়লাম।” এদিন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে সঙ্গে নিয়েই বাঁকুড়ায় কালীঘাট তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে কর্মীদের মনোবল বাড়ানো বার্তা দিয়েছিলেন কল্যাণ। একই সাথে নির্বাচনে দলের এমন দুর্দশায় দলের একাংশের সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

অবশ্যই পড়ুন: পারেননি কোনও ভারতীয়, তৃতীয় ওয়ানডেতে একসাথে সেই রেকর্ড গড়বেন রোহিত-বিরাট

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিজের ফেসবুক লাইভে এসে একুশে জুলাইয়ের আগে দলের মধ্যে থাকা সম্ভাব্য বেইমানদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দলনেত্রী বলেছিলেন, “যাঁরা চলে যেতে চাইছেন একুশে জুলাইয়ের আগেই লোটা কম্বল নিয়ে বেরিয়ে যান। আমরা যে দলটা গড়ছি সেটাকে কলুষিত করবেন না দয়া করে।”