প্রতীক না পেলে উপনির্বাচনের প্রচারে যাবেন না মমতা, জানিয়ে দিলেন নিজেই

Published:

Mamata Banerjee

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ঘাসফুল কার, মমতার নাকি ঋতব্রত শিবিরের তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করেনি নির্বাচন কমিশন। এদিকে আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভায় উপনির্বাচন। দুই তৃণমূলের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে প্রার্থী। নন্দীগ্রামে মমতার শিবিরের তরফ থেকে ভোটে লড়বেন সঞ্চিতা দে প্রধান এবং রেজিনগর থেকে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী। তবে এরই মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমোর (Mamata Banerjee) স্পষ্ট বক্তব্য, প্রতীক না পেলে তিনি উপনির্বাচনের প্রচারে বেরোবেন না।

প্রতীক ছাড়া প্রচার করবেন না মমতা

চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর একদিকে ঋতব্রত শিবির এবং একদিকে কালীঘাট শিবিরে ভাগ হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে ঋতব্রতরাই বিধানসভায় বিরোধী দলের যোগ্যতা অর্জন করে। অন্যদিকে প্রতীক মমতার হাতে তৈরি এই দাবি নিয়ে হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। সেই সূত্রে কমিশন এদিন দুই তৃণমূলের প্রতিনিধিদের তলব করে। তবে প্রতীক কোন শিবিরের দিকে যাবে, এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করেনি নির্বাচন কমিশন।

অন্যদিকে ৬ তারিখ যেহেতু দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন এবং ১৬ তারিখ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল, তাই তার আগেই দুই তৃণমূলের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয় প্রার্থী তালিকা। আবার প্রতীকী যুদ্ধের আগেই ঋতব্রত শিবিরের ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে কালীঘাট শিবির সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। এমনকি স্পিকারের তরফ থেকে গতকাল ওই ১০ বিধায়ককে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও খবর। কিন্তু প্রতীক নিয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।

আরও পড়ুন: পুজোর মাসে সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে ডবল বেতন

মঙ্গলবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রেজিনগরের কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী দেখা করতে আসেন বলেই খবর। সেখানে দলনেত্রীর সঙ্গে ভোট প্রস্তুতি এবং প্রচারের কৌশল নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হয় বলে দলের অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে মমতা স্পষ্ট করেছেন, যতদিন না পর্যন্ত তাঁর শিবির প্রতীক পাচ্ছে, ততদিন তিনি প্রচারে যাবেন না। তিনি প্রচারে নেই এমনটা ধরে নিয়েই প্রার্থীদেরকে ভোট প্রচার করতে হবে বলে জানিয়েছেন মমতা। প্রতীক পাওয়ার পরেই তিনি উপনির্বাচনের প্রচারে বের হবেন।