বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: “দলত্যাগীরা ফিরে এলে এক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দেব।” শনিবার নিজের বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়ে ছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নানান শিবিরে চলে যাওয়া বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যে একেবারে চ্যালেঞ্জ করে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলেছিলেন, দল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া বিদ্রোহীদের মধ্যে একজনও ফিরে এলে তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূলের সমস্ত পদ ছেড়ে দেবেন। এবার সেই বক্তব্য নিয়েই অভিষেককে রাজনৈতিক শিক্ষা দিলেন সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)।
অভিষেককে নিশানা শতাব্দীর
দিল্লিতে বাদল অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদল বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে একপ্রকার অস্তিত্বহীন দল NCPI তে যোগদানকারী 20 জন সাংসদ। রবিবার, তাঁদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সাংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। NCPI স্বীকৃত দল না হওয়া সত্বেও কেন সেই দলের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওয়াকআউট করতে থাকেন তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী সাংসদরা। আর এদিনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেককে পুরোপুরি নিশানা করেন শতাব্দী রায়।
রবিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক ঘন্টার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মুখ খুলে বীরভূমের চারবারের সাংসদ বললেন, “অভিষেক বড্ড দেরি করে ফেলেছে। এই কথা 4 তারিখ বললে ভাল হতো। 5 তারিখ নিজে থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলে তৃণমূলটা এভাবে টুকরো টুকরো হয়ে যেত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন জনপ্রিয় নেত্রীর অবস্থা এমন হতো না।”
অবশ্যই পড়ুন: অভিষেকের দফতর ছুঁয়েও দেখতে পারবে না প্রশাসন! বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
এদিন শতাব্দী রায়ের পাশাপাশি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বেশ কয়েকজনের কাছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। তবে সেভাবে মুখ খোলেননি কেউই। তৃণমূলের এক সময়কার যুবনেত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ অবশ্য জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে সবটা জানেন না তিনি। তাই না জেনে কিছু বলতে চান না।










