বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে নতুন করে 17 লাখ মহিলার নাম বাদ পড়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) তালিকা থেকে। অভিযোগ, প্রকল্পের সমস্ত শর্ত পূরণ করার পরেও এখনও অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি প্রকল্পের 3,000 টাকা। স্ট্যাটাস চেক করলে দেখাচ্ছে, ‘For Further Verification’। কিছু মহিলার আবার সমস্যা অন্য। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, কেন আটকে যাচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? নেপথ্যে কোন কারণ? চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।
এই 5 কারণে আটকে যাচ্ছে অন্নপূর্ণার টাকা
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধারের লিঙ্ক না থাকা
একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বহু মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধারের লিঙ্ক না থাকার কারণে তাঁদের অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন স্থগিত বা বাতিল হয়ে গিয়েছে। সরকারের তরফেও আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধারের সংযুক্তিকরণ না থাকলে টাকা ঢুকবে না অন্নপূর্ণা যোজনার!
নথিপত্রের গরমিল
এমন বহু আবেদনকারী রয়েছেন, যাঁদের আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা অন্য কোনও নথিতে নাম, বয়স সংক্রান্ত কিছু গরমিল রয়েছে। আর ঠিক সে কারণেই আটকে যাচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার মাসিক অর্থ। সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব নথিপত্রে থাকা ভুল সংশোধন করে নেওয়া উচিত।
আবেদনপত্রে ভুল তথ্য
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আবেদনপত্রে ভুল বা অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে বাতিল হয়ে যায় আবেদন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আটকে যায় টাকা। আবেদনকারী যদি নিজের আবেদন পত্রের ভুল তথ্য দেন এবং পরবর্তীতে যাচাই করার সময় যদি আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্যের সাথে বাস্তবের মিল না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে আটকে যেতে পারে পেমেন্ট।
আবেদন Verification বা Enquiry পর্যায়ে
অনেক সময় কিছু টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে আবেদনকারী আবেদন যাচাই বা ভেরিফিকেশন পর্যায়ে থাকলেও স্ট্যাটাস অ্যাপ্রুভড দেখাতে পারে! এক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য রাখতে হবে। চূড়ান্ত পর্বের যাচাই শেষ হয়ে গেলেই আপনার নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে অন্নপূর্ণার 3,000 টাকা।
আরও পড়ুন: বাতিল হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন? অবশেষে এল সুখবর, চেক করুন স্ট্যাটাস
সবচেয়ে বড় কারণ এটিই
এমন বহু আবেদনকারী রয়েছেন যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের নির্দিষ্ট শর্ত না মেনেই আবেদন করে দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, যেসব আবেদনকারীরা করদাতা বা সরকারি চাকরি করেন, তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করলে আবেদন বাতিল হবে। এমনকি, আবেদন করার সময় মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিলে পরবর্তীতে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।










