জনগণনা নিয়ে নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, চালু হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ

Published:

Government of West Bengal

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জনগণনা শুরু হচ্ছে গোটা রাজ্যে। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে কিছুদিন আগেই এ বিষয়ে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কবে জনগণনার কাজ হবে, কীভাবে হবে, কোথায় হবে সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। যদিও সাম্প্রতি জানা গিয়েছিল, জনগণনার (Census) কাজে কী কী তথ্য জানতে চাওয়া হবে। তবে সেই কাজ এবার দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। আজই জনগণনা সংক্রান্ত বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), এবং এর জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হচ্ছে।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার নবান্নে বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে জনগণনা সংক্রান্ত কাজের গতিবিধি আলোচনা করা হবে। এমনকি সেখানে রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসকদের উপস্থিত থাকতেও বলা হয়েছিল। পাশাপাশি জেলা শাসকদের প্রিন্সিপাল সেন্সাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হবে, একথা আগেই জানানো হয়েছে। আজ বৈঠকে জনগণনা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে খবর। পাশাপাশি মানুষ কোথায় তথ্য জমা দেবে, কী কী তথ্য, কোন প্রক্রিয়ায় জনগণনা হবে সেই সংক্রান্ত তথ্য সামনে আসছে।

জানা গিয়েছে, এবার জনগণনার তথ্য সংগ্রহের জন্য আধুনিক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হবে। আর সেই অ্যাপের নাম HLO। এর মাধ্যমে জেলা শাসকরা প্রতিটি বাড়ি গিয়ে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করবে। কারণ আগেই বলা হয়েছিল, এবার জনগণনা হবে ডিজিটাল ভাবে। পাশাপাশি নবান্নের তরফ থেকে জনগণের সুবিধার্থে অফিসিয়াল নম্বরও চালু করা হবে। আর সেই টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১১৮৫। যে কোনও প্রশ্নের উত্তর সহজেই সেই নম্বরে যোগাযোগ করে জানানো যাবে।

আরও পড়ুন: ঋতুস্রাব স্বাস্থ্যবিধিতে বড় পদক্ষেপ সরকারের! প্রতিটি গার্লস স্কুলে বসবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

তবে নাগরিকরা নিজেদের তথ্য নিজেরাই পোর্টালে আপলোড করতে পারবে। এর জন্য নির্দিষ্ট পোটাল চালু করা হবে। আর সেখানে পরিবারের সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি সেলফ আইডি তৈরি হবে, যেটি আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করবে। আর জানা গিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। কিন্তু যারা অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবে না, তাদের জন্য বিকল্প উপায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে জনগণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা তাদেরকে সাহায্য করবে। অফলাইনের মাধ্যমেই হবে তাদের কাজ।