অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে পিএম কিষাণ সব এক ক্যাম্পেই, চালু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’

Published:

Jan Kalyan Shivir

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আর থাকবে না অসুবিধা। এবার তৃণমূল জমানার ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির অনুকরণে চালু হতে চলেছে ‘জনকল্যাণ শিবির’ (Jan Kalyan Shivir)। জানা গিয়েছে রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমুখী প্রকল্পের সুবিধা আরও দ্রুত, স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দিতে প্রশাসন (Government Of West Bengal) রাজ্যজুড়ে তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত হতে চলেছে এই বিশেষ শিবির। একনজরে সম্পূর্ণটা জেনে নিন বিস্তারিত।

জনকল্যাণ শিবির চালু বিজেপি সরকারের

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ‘জনকল্যাণ শিবির’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল, বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা এবং তার প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে যে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক দূরত্ব রয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে দূর করা। অর্থাৎ সহজ কথায় আমজনতার ‘দুয়ারে’ সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে নয়া উদ্যোগ নেওয়া হবে এই কর্মসূচিতে। যার ফলে সাধারণ মানুষকে আর বিভিন্ন দফতরে দফতরে ঘুরে হয়রান হতে হবে না। এক ছাতার তলাতেই মিলবে একাধিক সরকারি পরিষেবার সমাধান। আগামী ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে বসবে এই মেগা ক্যাম্প। নিজেদের এলাকার ক্যাম্প কোথায় বসবে তা জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

থাকবে একাধিক পরিষেবা

জানা গিয়েছে এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ সরকারের ৫৫ ধরনের পরিষেবা পাবেন। এই তিনদিন অন্নপূর্ণা যোজনা, যুবশক্তি প্রকল্প, বিধবা ভাতা, পিএম কিষান যোজনা এবং বার্ধক্য ভাতার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর জন্য নতুন করে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এছাড়াও আধার, ভোটার কার্ড বা অন্যান্য নথিতে ভুল থাকলে তা ঠিক করার ব্যবস্থা থাকবে এই শিবিরে। অর্থাৎ কোনও সরকারি পরিষেবা পেতে সমস্যা হলে বা দীর্ঘদিন ধরে কোনও কাজ আটকে থাকলে, সরাসরি ক্যাম্পে এসে অভিযোগ জানানো যাবে। নবান্নসূত্রে খবর, তিন দিনের এই বিশেষ কর্মসূচিতে এক ছাতার তলায় মিলবে সরকারি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা।

আরও পড়ুন: WBCS পরীক্ষার দিনে মেট্রো সূচিতে বড় বদল, মিলবে অতিরিক্ত পরিষেবা

ইতিমধ্যেই রাজ্য টাস্ক ফোর্সের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি রূপায়ণের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর তৈরি করা হয়েছে, যা দ্রুত সংশ্লিষ্ট সব মহলে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও সমস্ত স্তরের আধিকারিক ও কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এবং সমস্ত নির্দেশিকা মেনে এই শিবিরের কাজ সফল করা হয়। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে প্রশাসন বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন দেখার এই কর্মসূচি কতটা সফলতা অর্জন করে।