ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে কীসের ভিত্তিতে নেওয়া হত টোল? এবার চলবে তদন্ত

Published:

Ishwar Gupta Setu

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার শিরোনামে ইশ্বরগুপ্ত সেতু (Ishwar Gupta Setu)। এই সেতু নিয়ে টাকার খেলা যে হয়েছিল তা আরও সুস্পষ্ট হল। শুরু হয়ে গেল তদন্ত বলে খবর। ঈশ্বর গুপ্ত সেতু প্রকল্পের টাকা সংক্রান্ত তদন্তে আজ হুগলির (Hooghly) দুর্নীতি দমন শাখা তদন্ত শুরু করেছে। প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত অনেককেই ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঈশ্বর গুপ্ত সেতু নিয়ে তদন্ত শুরু 

জানা গিয়েছে যে সুপারিন্টেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার, হুগলি হাইওয়ে ডিভিশন–২ টেন্ডারটি অনুমোদন করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন শাখা তদন্ত চালাচ্ছে। কয়েক মাস আগেই কোনওরকম নোটিশ ছাড়া ইশ্বরগুপ্ত সেতুর টোল আচমকাই বেড়ে গিয়েছিল। এরপর এই ঘটনার খবর পেয়ে টোল দেওয়া বন্ধ করে দেন সপ্তগ্রামের বিধায়ক স্বরাজ ঘোষ। কিন্তু কেন এবং কীভাবে আচমকা এরকম টোল বৃদ্ধি করা হল কাউকে কিছু না জানিয়ে তা নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে। আর এরপরেই কেন এই সেতুতে টোল নেওয়া হত, সেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

উল্লেখ্য, ঈশ্বর গুপ্ত সেতু হলো হুগলি ও নদীয়া জেলার মধ্যে হুগলি নদীর ওপর নির্মিত একটি প্রধান সড়ক সেতু। এটি হুগলির বাঁশবেড়িয়ার সঙ্গে নদিয়ার কল্যাণীকে যুক্ত করেছে। এদিকে মূল সেতুর পাশাপাশি বর্তমানে গঙ্গার ওপর প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি অত্যাধুনিক ‘দ্বিতীয় ঈশ্বর গুপ্ত সেতু’ নির্মাণের কাজ চলছে। এটি কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নামে এই সেতুটির নামকরণ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ফের অনেকটাই পতন সোনা, রুপোর দামে! দেখুন আজকের রেট

ইতিহাস সম্পর্কে বললে, ১৯৮১ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৯৮৯ সালের ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এটি উদ্বোধন করেন। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১.০৫ কিলোমিটার। ২০১৬ সালে পুরানো সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় প্রশাসনের তরফ থেকে ভারী পণ্যবাহী যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর কিছু বছর আগে শুরু হয় টোল ব্যবস্থা। যাইহোক, এখন দেখার সেতু সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত কতদূর এগোয়।