অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে নয়া নির্দেশ, জারি হল বিজ্ঞপ্তি

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমেও চলছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ। যদিও এখন সবাই অনলাইনকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। কারণ, অনলাইনে শুধুমাত্র কয়েকটি ডকুমেন্ট আপলোড করলেই মিটে যাচ্ছে। কিন্তু অফলাইনের ক্ষেত্রে একাধিক ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে জমা দিতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অফিসে। তবে এবার অফলাইনে ফর্ম ফিলাপের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করা হল রাজ্যের পুরসভার তরফ থেকে (Government of West Bengal)।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে নতুন নির্দেশিকা

হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত উপভোক্তারা ৩ জুনের মধ্যে আবেদন করেছেন, তাদের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। আগে জমা দেওয়া আবেদনের সাথে আবেদনকারীর আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কপি জমা দিতে হয়েছে। কিন্তু পুরসভার নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সমস্ত সদস্যদেরই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং রেশন কার্ডের তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ, যারা ৩ জুনের মধ্যে আবেদন করেছেন, তাদের পরিবারের সমস্ত সদস্যদের ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের জেরক্স কপি পুনরায় জমা করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি পুরসভার তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যারা এই ডকুমেন্টগুলি জমা দেয়নি, তাদেরকে একটি সাদা কাগজে আবেদনপত্র লিখে জমা করতে হবে। সেখানে পরিবারের প্রধানের নাম, সুবিধাভোগীর নাম, ওয়ার্ড নম্বর এবং আগে আবেদনপত্রে দেওয়া যোগাযোগ নম্বর উল্লেখ করতে হবে। আর এই তথ্যগুলি হুগলির চুঁচুড়া পুরসভা অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে, এবং সকালে একটা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত তা জমা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি এও জানানো হয়েছে যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডকুমেন্ট জমা না দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: এক ঘোষণাতেই ঘুরে দাঁড়াল শেয়ার বাজার, ৬ লক্ষ কোটি লাভ বিনিয়োগকারীদের

May be an image of text

যদিও রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার তরফ থেকে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু যারা অফলাইনে ফর্ম ফিলাপ করেছে, তারা আবারও পুনরায় অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করছে যাতে সমস্ত তথ্য নির্ভুল হয়। আর অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, এখানে বেশি ডকুমেন্টের প্রয়োজন পড়ছে না। শুধুমাত্র নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের আধার ও ভোটার কার্ড আপলোড করলেই সমস্যা মিটে যাচ্ছে। এমনকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস পর্যন্ত দেওয়া লাগছে না। তাই আপনি যদি চুঁচুড়া পুরসভার অন্তর্গত বাসিন্দা হয়ে থাকেন, তাহলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অবশ্যই এই ডকুমেন্টগুলি জমা করুন। নাহলে হাতছাড়া হতে পারে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা।