শিক্ষা ক্ষেত্রে আসছে বড় পরিবর্তন! RTI-র আওতায় আনা হচ্ছে রাজ্যের স্কুল, জারি নির্দেশিকা

Published:

West Bengal Schools

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পূজোর আবহেই নয়া পদক্ষেপ রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতরের (West Bengal Education Department)। এবার রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়গুলিকে (West Bengal Schools) তথ্য জানার অধিকার আইন বা আরটিআই (RTI Act, 2005)-এর আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর সেই কারণে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে বিদ্যালয় ও অধস্তন অফিসগুলির প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে নির্দেশিকা জারি করল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা স্কুল পরিদর্শক। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে শিক্ষা মহলে।

আরটিআই পোর্টালে যুক্ত হচ্ছে রাজ্যের স্কুল

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনার জেলা স্কুল পরিদর্শক বিদ্যালয় এবং অধস্তন অফিসগুলিকে নিয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারের কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের অনলাইন তথ্য জানার অধিকার আইন বা RTI পোর্টাল – এ বিদ্যালয় ও অধস্তন অফিসগুলিকে নথিভুক্ত করতে হবে। তাই প্রতিটি বিদ্যালয় ও তার অধীনস্থ অফিসের প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্য জনতথ্য আধিকারিকের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নাম, পদ, ইমেল আইডি এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর নির্দিষ্ট ছকে জানাতেও বলা হয়েছে।

পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট গুগল ফর্ম

ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনার জেলা স্কুল পরিদর্শক সব বিদ্যালয়ের প্রধানদের নির্দিষ্ট তথ্য জমা দেওয়ার জন্য সাত দিনের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের সফ্‌ট কপি পাঠাতে হবে rtisedwb@gmail.com ইমেল ঠিকানায়। তবে এখানেই শেষ নয়, জেলা স্কুল পরিদর্শকের কার্যালয় থেকে নির্দিষ্ট গুগল ফর্ম দেওয়া হবে, সেটি পূরণ করে সঠিক তথ্য জমা দিতে হবে। তবে সবটাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে। জানা গিয়েছে এই পদক্ষেপের ফলে সাধারণ নাগরিক সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে আবেদন করতে পারেন।

আরও পড়ুন: ‘তোমার চাকরি হবে না’ বিদ্রূপকে জবাব! প্রতিকূলতা উড়িয়ে UPSC-তে বাজিমাত বাংলার ছেলের

প্রসঙ্গত, রাজ্য স্কুলশিক্ষা দফতরের অনলাইন পোর্টালে বিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে শিক্ষা মহলের একাংশ। আশা করা যাচ্ছে আরটিআই সংক্রান্ত আবেদন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে আরও সহজ হবে। এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। এবার সেই নির্দেশিকার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে বিদ্যালয়গুলির তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।

google button