বেকারদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ জেলা পুলিশের, কর্মসংস্থানের জন্য চালু মোবাইল অ্যাপ

Published:

Paschim Medinipur

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য এবার বড় উদ্যোগ নিল পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা পুলিশ। কর্মসংস্থানের জন্য পুলিশের তরফে চালু করা হয়েছে এক বিশেষ অ্যাপ (New App)। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় কাজের সুযোগ যেমন পাবেন জেলার বেকার যুবক-যুবতীরা (Unemployed Youth) ঠিক তেমনই আবার কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য থাকবে ৩০% সংরক্ষণ। পুলিশের এই জনদরদী উদ্যোগে ব্যাপক খুশি সকলে।

বেকারদের জন্য নয়া উদ্যোগ জেলা পুলিশের

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হলেও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তেমন কোনো আশার আলো দেখা যাচ্ছিল না। তাই এবার বেকারদের মুশকিল আসান করতে এবং দুর্নীতি মুক্ত স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ এক নয়া উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় চালু হতে এক নয়া অ্যাপ, আর সেটি হল ‘PACE’। যার পুরো নাম পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্টস ইন কেরিয়ার অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট এনহ্যান্সমেন্ট। এই উদ্যোগ মূলত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের জন্য। শুধুমাত্র ১৮ বছরের উত্তীর্ণ শিক্ষিত মহিলারাই এই কাজ করতে পারবে। তবে, অন্য জেলার বাসিন্দা, যাঁরা বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বসবাস করেন, তাঁরাও এই অ্যাপের মাধ্যমে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

কী বলছেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা?

সাংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, “PACE অ্যাপের মাধ্যমে জেলার বেকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে। প্রতিটি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের ধরন, বেতন, কর্মস্থল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে তারা নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ স্থানীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। মোট নিয়োগের অন্তত ৩০ শতাংশ মহিলা প্রার্থী থাকবেন।”

আরও পড়ুন: জলযন্ত্রণা কমবে ব্যারাকপুরের, নতুন খালের জন্য নবান্নে প্রস্তাব কৌস্তভ বাগচির

জানা গিয়েছে, বর্তমানে ২৮টি বেসরকারি কোম্পানি PACE প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, ভবিষ্যতে সেই সংখ্যা আশা করা যাচ্ছে আরও বাড়বে। আগামী ২১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এবং সেই আবেদনগুলো ১ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত যাচাই করা হবে এবং ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আশা করা যাচ্ছে স্বাধীনতা দিবসের আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে। তবে প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার মহিলাকে আগস্টেই নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।