বেলিয়াতোড়-দুর্গাপুর ও ছাতনা-মুকুটমণিপুর, আরও দুটি নতুন রেলপথ পাচ্ছে বাংলা

Published:

New Railway Lines

সহেলি মিত্র, কলকাতা: আরও দুটি নতুন রেলপথ (New Railway Lines) পেতে চলেছে রাজ্যবাসী। দীর্ঘ দিনের জট কাটিয়ে বেলিয়াতোড়-দুর্গাপুর ও ছাতনা-মুকুটমণিপুর, এই দুই লাইনকে রেল পথের মাধ্যমে জুড়তে উদ্যোগী হয়েছে রেল। এই রেল পথের ভাবনা অবশ্য নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর আগেই রাজ্যের এই চার গুরুত্বপূর্ণ অংশকে যাতে রেললাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই আলোচনা খুব বেশি দূর এগোয়নি। থমকে গিয়েছিল জমি অধিগ্রহণের কাজ।

জট কাটতে চলেছে আরও ২ রেলপথের

রাজ্যের নতুন সরকার আসার পর রেল প্রকল্পে গতি আসতে চলেছে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বুধবার,  বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন, ভূমি ও বনদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে রেলের আদ্রা ডিভিশনের কর্তাদের বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠক বেশ আশাপ্রদ বলেই খবর। জেলায় নতুন রেলপথ তৈরি করার পাশাপাশি বাঁকুড়ার ১১টি জায়গায় লেভেল ক্রসিং উঠিয়ে রেলদপ্তর আন্ডারপাস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানা গিয়েছে। এই কাজের জন্য দরকার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা।

উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ

জেলা প্রশাসন ছাড়পত্র বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিলে তবেই শুরু করা যাবে কাজ। প্রশাসন রেলের সঙ্গে এ ব্যাপারে সর্বতোভাবে সাহায্য করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত রেল লাইনের মধ্যে পড়বে জঙ্গল, হাতি যাতায়াত করার জায়গা বা এলিফ্যান্ট করিডোর। এই এলিফ্যান্ট করিডোর বাঁচিয়ে, জঙ্গলের ধার দিয়ে ছুটে চলবে রেল, ভাবনা এমনটাই।

আরও পড়ুনঃ দার্জিলিঙে রাস্তা তৈরিতে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি তৃণমূলের! প্রমাণ দিলেন সাংসদ রাজু বিস্তা

সূত্রের খবর, বাঁকুড়া-মশাগ্রাম শাখার বেলিয়াতোড় স্টেশন থেকে বড়জোড়া হয়ে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন পাতা হবে। খতিয়ে দেখা হবে ছাতনা-মুকুটমণিপুর রেলপথের প্রস্তাবিত এলাকা। প্রস্তাবিত বেলিয়াতোড়-দুর্গাপুর রেলপথের দৈর্ঘ্য হবে ৩৫ কিলোমিটার। প্রস্তাবিত এই রেলপথের বেশিরভাগ অংশ থাকবে জঙ্গলের মধ্যে, যার অনেকটা আবার বনদপ্তরের আওতাধীন এলাকা।