সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নতুন অর্থবর্ষে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের গতি বজায় রাখতে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতর (Government of West Bengal)। আজ অর্থাৎ ৭ জুলাই জারি হওয়া নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে গোটা বছরের বাজেট বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক ভাবে অনুমোদিত বিভিন্ন কাজ আরও দ্রুত গতিতে এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
নির্দেশিকা জারি অর্থ দফতরের
আজ অর্থ দফতরের তরফ থেকে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে তার মেমোরেন্ডাম নম্বর ৪৪৪-এফবি। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত ভোট অন অ্যাকাউন্টে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে তার সীমার মধ্যে থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরগুলি গোটা বছরের বাজেটের সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ অনুমোদন বা ব্যয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু সমস্ত প্রকল্প এই সুবিধার আওতায় আসবে না বলে জানানো হয়েছে। কিছু বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে আগের মতো অর্থ দফতরের বাজেট শাখার অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
কোন কোন ক্ষেত্রে লাগবে অনুমোদন?
নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, বেশ কিছু প্রকল্পের ক্ষেত্রে এবার সরাসরি অর্থ ছাড় দেওয়া যাবে না। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে এক্সটার্নাল এইডেড প্রোজেক্ট, ১৫ এবং ১৬ তম অর্থ কমিশনভিত্তিক প্রকল্প, সমস্ত ধরনের কেন্দ্রীয় সাহায্যমূলক প্রকল্প, সেন্ট্রাল সেক্টর স্কিম, কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তাপ্রাপ্ত অন্যান্য বিভিন্ন প্রকল্প, ভর্তুকি, ঋণ বা অগ্রিম এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত বরাদ্দ।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়াকে ইভিএম, অ্যাস্ট্রা-ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র দেবে ভারত! বিরাট চুক্তি দুই দেশের
তবে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের আওতায় থাকা রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে একই নিয়ম কার্যকর হবে। এমনকি নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে এই সমস্ত প্রকল্পে গোটা বছরের বাজেটের ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ছাড় দেওয়া হবে। অর্থ দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোনও প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার সময় প্রতিটি সরকারি আদেশে উল্লেখ করতে হবে যে সেই আদেশটি Finance Department Memo No. 444-FB, dated 7 July 2026 অনুযায়ী জারি করা হয়েছে। এমনকি অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই নতুন নির্দেশিকা আজ অর্থাৎ ৭ জুলাই থেকেই কার্যকর হচ্ছে, এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর, ট্রেজারি কর্তৃপক্ষের কাছে সেই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।










