বকেয়া DA মেটাবে রাজ্য, সঙ্গে বিপুল নিয়োগ, নবান্নে বৈঠকের পর আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে কাটল জট, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ, সোমবার, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ-সহ সব সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) নিয়ে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। টানা ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট আলাপ আলোচনা হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মচারী (Government  Employees) সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানো হবে বলে জানিয়েছেন।

২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর আশ্বাস

রিপোর্ট অনুযায়ী, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ জানান, এই বৈঠকের পর তাঁরা সন্তুষ্ট। বকেয়া ডিএ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অক্ষরে অক্ষরে পালন করার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি বকেয়া ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব ও অর্থসচিব। অন্যদিকে জানুয়ারির মধ্যে সপ্তম পে কমিশন লাগুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিয়োগ নিয়েও বড় আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, আন্দোলনে সাসপেন্ডেড কর্মীদের বহালের আশ্বাসও দিয়েছেন শুভেন্দু।

৫০ হাজার পদে নিয়োগ

জানা গিয়েছে, আগামী ৭ তারিখের মধ্যে পরিকল্পনামাফিক নিয়োগ নীতি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে অন্তত ৫০ হাজার পদে নিয়োগ করার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র ফারাক ধীরে ধীরে মেটানো হবে এবং কাটমানি, থ্রেট কালচারের প্রসঙ্গ উঠতেই শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন যে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে সবরকম সহায়তা করা হবে। অর্থাৎ সমস্তটাই যাতে কর্মচারিদের সম্মান রেখে করা যায় সেই মতো ব্যবস্থা করবেন তাঁরা। আগামী ২২ জুন রাজ্য বাজেটে এই নিয়ে বড় ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: শিয়ালদা লাইনে নতুন রেলপথের অনুমোদন পূর্ব রেলের, যাওয়া যাবে প্রিয় ধামে

বস্তুত, পূর্বতন সরকারের আমল থেকে বকেয়া ডিএ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলে আসছে। বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কতদূর এগিয়েছে তা গত শুনানিতে জানতে চেয়েছিল আদালত। সে সময় রাজ্য সরকারের তরফে কিছুটা সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে এবার সরকার পরিবর্তন হয়েছে, তাই সব পক্ষের বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে শুনানি পিছিয়ে ফের জুলাইয়ে করা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ডিএর ফারাক ৪২ শতাংশ। এখন দেখার এই ফারাক কতটা কমে।