“কোয়েল নয়, রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে এসেছি” নবমীর সন্ধ্যায় মল্লিকবাড়ির দুর্গাপুজোয় হাজির মুখ্যমন্ত্রী

Published:

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আমন্ত্রণে দিলেন সাড়া, নবমীর সন্ধ্যায় ভবানীপুরে মল্লিকবাড়ির শতকপ্রাচীন দুর্গাপুজোয় উপস্থিত থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাড়িতে ছিলেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক (Ranjit Mallick)। ছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকও (Koel Mallick) ফেরার পথে সাংবাদিকদের বলে গেলেন, কোয়েলের ডাকে নয়, বরং রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণেই তিনি এবার মল্লিকবাড়ির দুর্গাপুজোয় এলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও।

কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার, মহানবমীর রাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলে নিজের বিধানসভার অন্তর্গত মল্লিকবাড়ির পুজোয় যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আরতি করে, প্রসাদও খেলেন সকলের সঙ্গে। এরপর বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেই তিনি জানান, “রঞ্জিত মল্লিক মহোদয় আমায় ডেকেছিলেন মহানায়কের শতবর্ষে। বলেছিলেন, আমার বাড়িতে দুর্গাপুজো হয় আপনি জানেন তো? আমি বললাম, হ্যাঁ, টিভিতে দেখি। উনি বললেন, আপনি আসবেন। এর সঙ্গে কোয়েলের কোনও যোগ নেই। ওঁ এখন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ, রঞ্জিত মল্লিক অত্যন্ত বিশিষ্ট মানুষ।”

মল্লিক বাড়ির পুজো নিয়ে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী

মল্লিকবাড়ির শতকপ্রাচীন এই পুজো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এলাম, বাড়িতে বানানো নাড়ু। পুরনো বাড়ি, ঐতিহ্য আছে। এতটুকু বদল হয়নি। একদম পুরো দেখে এলাম, দেড়শো বছরের বাড়ি, ১০২ বছরের প্রাচীন পুজো। এই ঐতিহ্যটা বাংলায় থাকুক। উনি চাইলেই ওই জায়গাটা প্রোমোটারকে দিতে পারতেন, যা হয়… কিন্তু উনি মেইনটেন করেছেন। এখনও কিছু লোকজন আছেন, যারা ঐতিহ্য ও পরম্পরার সঙ্গে সমঝোতা করেন না। রঞ্জিত মল্লিক তাদের মধ্যে একজন।” এদিন কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী নিসপাল সিং রানে।

আরও পড়ুন: “সরকারি হাসপাতালে কিছু খামতি আছে” চোরবাগান কাণ্ডে রেফার বিতর্ক নিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজেদের বাড়ির পুজোয় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ তথা অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক বলেন, “নাড়ু খেয়েছেন, খুব সুন্দরভাবে আরতি করেছেন। খুব ভালো লাগল। ওঁর কথার রেশ ধরেই বলি যে সত্যি আমাদের যে ঐতিহ্যটা আছে, পুরনো বাড়ির একটা ঐতিহ্য, সেটা বজায় রাখতে পেরেছি, মল্লিক বাড়ির প্রতিটি সদস্যকে সেই কৃতিত্বটা জানাচ্ছি। সেই জন্যই হয়তো ১০২ বছর ধরে আমরা এই পুজোটা করে আসতে পারছি।”

google button