সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কখন কোন খবর ছড়িয়ে পড়ে তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। ঠিক তেমনই বেশ কিছুদিন ধরে সমাজমাধ্যমে ভেসে আসছে যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি দাবি করছেন, “বিশাল সংকট আসছে… একবেলা খাওয়া বাদ দিয়ে দিন।” ভাইরাল হতেই তা যে যেখান থেকে পাচ্ছে শেয়ার করছে (Amit Shah Viral Post)। তবে এবার আসল সত্যি জানাল কেন্দ্রীয় ফ্যাক্ট চেক সংস্থা পিআইবি বা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল দাবি
আসলে বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে এমনিতেই জ্বালানি তেলের সংকট আকাশছোঁয়া। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয় করার পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতেও বলেছেন। পাশাপাশি যতটা সম্ভব ডিজেল এবং পেট্রোলের ব্যবহার যাতে এড়ানো যায়, তার আবেদন করেছেন তিনি। আর বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতেও বলেছেন। একই সঙ্গে মোদী থেকে শুরু করে অন্যান্য নেতা মন্ত্রীরা তাঁদের কনভয়েতে গাড়ির সংখ্যাও কমিয়েছেন। আর ঠিক এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি দাবি। যেখানে তিনি নাকি বলেছেন, “বিশাল সংকট আসছে… একবেলা খাওয়া বাদ দিয়ে দিন!”
এই দাবি ছড়িয়ে পড়তেই কেন্দ্রীয় ফ্যাক্ট চেক সংস্থা পিআইবি জানিয়ে দিয়েছে, অমিত শাহের নামে প্রচারিত এই বিবৃতিটি সম্পূর্ণ ফেক এবং গুজব পোস্ট। জনগণকে অহেতুক এই ধরনের গুজব উপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে। এমনকি বিভিন্ন বিবৃতি সরকারের দেওয়া দাবি করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়। কিন্তু ক্রমাগত সেই তথ্যগুলিকে তদন্ত করে মিথ্যা দাবিগুলোকে খন্ডন করে দেয় পিআইবি। আর এবারও তাই হল।
🚨सोशल मीडिया पर एक तस्वीर शेयर कर यह दावा किया जा रहा है कि केंद्रीय गृह मंत्री @AmitShah ने कहा है कि “भारी संकट आने वाला है, हो सके तो एक टाइम का खाना छोड़ दीजिए”।#PIBFactCheck:
❌यह दावा #फर्जी है
✅ केंद्रीय मंत्री अमित शाह ने ऐसा कोई बयान नहीं दिया है
⚠️ सत्यापित… pic.twitter.com/6awVvsKaOa
— PIB Fact Check (@PIBFactCheck) May 18, 2026
আরও পড়ুন: সপ্তম পে কমিশন লাগু হওয়ায় কোন কর্মীর কতটা বেতন বাড়বে? দেখুন হিসেব
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে আরও একটি দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে বলা হচ্ছিল যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীকে নাকি তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো তাদের ফ্যাক্ট চেক করে জানিয়েছে যে, এই প্রতিবেদনগুলির কোনও সত্যতা নেই। সম্পূর্ণ ভুয়ো।










