EPFO 3.0-র ধামাকা! এবার পেনশন ও ক্লেম সেটলমেন্ট হবে আরও সহজ, ঘোষণা কেন্দ্রের

Published:

EPFO 3.0

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সময় যত এগোচ্ছে ততই ক্রমে বাড়ছে EPFO 3.0 এর আশা। পেনশনের টাকা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সুদের হার বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবি জানানো হচ্ছে সরকারের কাছে। এদিকে সরকারের দাবি অনুযায়ী, EPFO 3.0 চালু হলে সকল সদস্য দারুণ ভাবে লাভবান হবেন। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে? সরকার এই বিষয়েই এক বড় আপডেট দিল যা প্রতিটি সদস্যের জেনে রাখা উচিৎ।

EPFO 3.0 নিয়ে বড় আপডেট দিল সরকার

সরকার লোকসভায় ইপিএফও ৩.০ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে, দাবি নিষ্পত্তির (Claim Settle) প্রক্রিয়াকে আরও প্রসারিত বা সহজ ভাষায় বললে উন্নত করা হয়েছে, পেনশন প্রদানের পদ্ধতির উন্নতি করা হয়েছে এবং কার্যপ্রণালীকে উল্লেখযোগ্যভাবে সরল করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে জানিয়েছেন যে, ইপিএফও ৩.০ কম সময়ে গ্রাহকদের আরও বেশি সুবিধা প্রদানের জন্য পরিষেবাগুলিকে ডিজিটাইজ করছে।

অটোমেটিক মোডে দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে

সরকারের মতে, কেন্দ্রীভূত পেনশন প্রদান ব্যবস্থা (সিপিপিএস) এখন সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে। ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে ইপিএফও-এর সমস্ত অফিস এই ব্যবস্থায় কাজ করছে। এর ফলে প্রতি মাসে ৭০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগীকে সময়মতো এবং ত্রুটিমুক্ত পেনশন প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। দাবি নিষ্পত্তিতেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৩৫.২ মিলিয়নেরও বেশি দাবি অটোমেটিক মোডে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে, মোট অগ্রিম দাবির ৭১.৩৭% ম্যানুয়াল প্রক্রিয়াকরণ ছাড়াই নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার মোট পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ৫১,৬২০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুনঃ বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

যেসব কর্মচারী চাকরি পরিবর্তন করেন, তাদের জন্য ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, কর্মচারী বা নিয়োগকর্তার কোনোরকম সম্পৃক্ততা ছাড়াই ৭০.৫৪ লক্ষেরও বেশি ট্রান্সফার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করা হয়েছে। একবার কেওয়াইসি (KYC) সম্পন্ন হয়ে গেলে, পুরোনো বা নতুন নিয়োগকর্তা কারোরই অনুমোদনের আর প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও, ২১.৩৯ লক্ষেরও বেশি কর্মচারী নিয়োগকর্তার কোনো সহায়তা ছাড়াই ট্রান্সফার আবেদন জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগে যেখানে ক্লেইম সেটল করতে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগত, এখন তা তিন দিনেরও কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে আখেরে লাভ হচ্ছে সদস্যদেরই।

 

google button