বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

Published:

Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে অপেক্ষা যেন শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না বাংলার সরকারি কর্মীদের। ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে চলতি মার্চ মাসে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরও একটি কিস্তির টাকা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রিলিজ করা হবে বলে খবর। যদিও সরকারের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না কর্মীরা। যাইহোক, এরই মাঝে ভোটের মুখে ইস্তেহার প্রকাশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই ইস্তেহারে DA মেটানো থেকে শুরু করে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) চালু এবং সামগ্রিক বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি

সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ধাপে ধাপে মেটানো হবে। এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করে রাজ্য অর্থ দফতর। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের বকেয়া টাকা মেটানো হবে কর্মীদের। বাকিটা কবে কী দেওয়া হবে তা পরে জানানো হবে। যাইহোক, এদিকে ইস্তেহারে কিন্তু কেন্দ্রীয় হারে ডিএ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই রাজ্যের বিপুল পরিমাণ বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে, বাড়ছে আর্থিক চাপ। ফলে এক কালীন বা বিশাল বড় অঙ্কের ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

তবে কি শীঘ্রই লাগু হচ্ছে? বেতন, পেনশন বাড়ছে? সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

google button