প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গরমে রোদের তাপ এবং জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে সরে অস্থিরতা বাড়ে এবং প্রচুর ঘাম হয়। আর এই ঘামের কারণে শরীরে ব্যাকটিরিয়ার আধিক্য দেখা যায় এবং গায়ের থেকে দুর্গন্ধ বের হয় (Body Care Tips)। পারফিউম, রোল অন ব্যবহার করলে সাময়িকভাবে সমস্যা মিটলেও দুর্গন্ধ (Bad Body Odor) থেকেই যায়। সেক্ষেত্রে পাবলিক প্লেসে বেশ লজ্জায় পড়তে হয়। তবে চিন্তা নেই কয়টি ঘরোয়া টোটকা তেই এই সমস্যা চিরদিনের মতই বিদায় নেবে। চলুন আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
বেকিং সোডা
শরীরে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার অন্যতম সহজ উপায় হল বেকিং সোডা। এটি শরীরের জন্য বেশ ভালো। চিকিৎসকদের মতে পরিমাণমত বেকিং সোডা পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কমায়। তবে এটি সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়। এক চিমটে বেকিং সোডার সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। বগলে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
লেবুর ম্যাজিক
বগলে লেবুর রস লাগালে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে সহজেই রেহাই মেলে। কারণ লেবুতে রয়েছে সাইট্রাস যা ত্বকের অ্যাসিডিক মাত্রা বদলে দিতে পারে। ত্বক বেশি অ্যাসিডিক হয়ে গেলে যেকোনো ব্যাকটিরিয়া মারতে পারে। তাই স্নানের আগে যেখানে যেখানে বেশি ঘাম হয় সেখানে লাগিয়ে নেবেন। অর্ধেক লেবু বগল বা পায়ের তলায়ও ঘষে নিতে পারেন। ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে যদি ত্বক খুব সেনসেটিভ হয় তাহলে লেবু ব্যবহার না করাই ভালো।
আরও পড়ুন: পার্লারে আর খরচ নয়, চুল পড়া ও শুষ্কতা কমাতে মেনে চলুন এই নিয়ম
নিয়মিত শেভ
বগলে প্রতিদিন স্নানের সময় শেভ করা বেশ জরুরি কারণ বগলে রোম থাকলে ঘামের পরিমাণ বাড়তে থাকতে। এতেই শরীরে বাসা বাঁধে ব্যাকটিরিয়া। ফলে দুর্গন্ধ বেশি হয়। তবে শেভ করা থাকলে ঘাম আটকে থাকে না রোমকূপে। ফলে দুর্গন্ধ কম হয়। ব্যাকটিরিয়াও বাসা বাঁধতে পারে না।
নারকেল তেল
ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে খুবই কার্যকরী নারকেল তেল। এতে থাকা লরিক অ্যাসিড ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যকটেরিয়া কম করতে সাহায্য করে। এছাড়াও স্কিনের বিভিন্ন সমস্যায় নারকেল তেল অত্যন্ত কার্যকরী। তাই স্নান করার আগে সামান্য নারকেল তেল বগলের লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে দিলেই অনেকটাই কমবে ঘামের সমস্যা। এতে ত্বক অনেকটাই ময়েশ্চারাইজ থাকে। কেউ চাইলে স্নানের পরও অল্প নারকেল তেল লাগিয়ে নিতে পারেন।










