সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কবে চালু হবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? এই প্রশ্ন এখন সকলের। রেল সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধাপে এই ট্রেনের পথচলা শুরু হবে। এরই মাঝে উচ্চাকাঙ্খী এই বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট। জানা গিয়েছে, মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডোরের একটি বড় ক্রয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিইএমএল (BEML) ভারতের দ্রুতগতির রেল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি মেধা সার্ভো ড্রাইভসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে এবং এই প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ট্রেনসেট সরবরাহ করতে একটি দরপত্র জমা দিয়েছে।
বুলেট ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট
BEML মেধা কনসোর্টিয়াম ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশনকে ১৬টি দ্রুতগতির ট্রেনসেট সরবরাহ করার জন্য একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৮৬৬ কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সহ প্রস্তাবিত নতুন ট্রেনসেটগুলির প্রতিটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কাঠামোর অধীনে, বিইএমএল মূল কাঠামোগত এবং অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলির দায়িত্ব নেবে, আর মেধা (Medha) প্রোপালশন সিস্টেম, বগি এবং ট্রেন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির জন্য দায়ী থাকবে। চূড়ান্ত মূল্য আরও আলোচনার সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।
ঘণ্টায় ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ট্রেন!
সূত্রের খবর, এই ট্রেনগুলো ঘণ্টায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত গতিতে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ঘণ্টায় ২৮০ কিমি। আশা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ট্রেনসেটগুলোও প্রোটোটাইপের মতোই একই ডিজাইন প্ল্যাটফর্ম অনুসরণ করবে এবং সময়ের সাথে সাথে এতে আরও উন্নতি ঘটানো হবে। প্রকল্পটির একটি প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। প্রাথমিক ট্রেনসেটগুলিতে প্রায় ৫০% স্থানীয় যন্ত্রাংশ থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে এই অনুপাত আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপের কাঁটায় দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির ভ্রূকুটি! আজকের আবহাওয়া
প্রথম প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটগুলির পথচলা আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে, যার সূচনা হবে সুরাট-বিলিমোরা অংশ দিয়ে। এই সুবিশাল করিডোরটি মহারাষ্ট্র ও গুজরাট জুড়ে ৫০৮ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং ১২টি স্টেশনের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রধান শহরগুলোকে সংযুক্ত করেছে।












