প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কখনও বৃষ্টি, কখনও ভ্যাপসা গরম, আবহাওয়ার এই হঠাৎ পরিবর্তনে শরীরে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে কম বেশি সকলের। এমন সময়ে চুলও অবাধ্য হয়ে উঠছে। ঝাঁকে ঝাঁকে চুল তো পড়ছেই তার সঙ্গে চুলের রুক্ষতা এবং শুষ্কতা (Damaged Hair) বেড়েই চলেছে। হাজার হাজার টাকা পার্লারে খরচ করেও কিছু হচ্ছে না। এদিকে কেশসজ্জা করতে গিয়ে আরও দফারফা অবস্থা। তাই এই সমস্যা থেকে বাঁচতে মেনে চলতে হবে বেশ কয়েকটি টিপস (Hair Tips)। এক নজরে সম্পূর্ণটা দেখে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
অয়েলিং
চুলের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাবার হল তেল। শ্যাম্পু করার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মাথায় তেল মেখে নেবেন। এর জন্য হাতের তালুতে পরিমাণ মতো তেল নিয়ে স্ক্যাল্পে তেল লাগিয়ে নিন। ভালো করে মাসাজ করুন। বাকি অংশ চুলেও মেখে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। তবে কখনোই অতিরিক্ত তেল মাখবেন না, তাহলে চুলে উপকারের চেয়ে বেশি অপকার হবে।
শ্যাম্পু
রুক্ষ এবং শুষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য সপ্তাহে অন্তত দুইদিন ভালো শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। যা চুলের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করবে এবং রুক্ষ ভাব দূর করবে। তবে প্রতিদিন শ্যাম্পু করাটা একদমই উচিত নয়। কিন্তু কাজের সূত্রে কেউ যদি প্রতিদিন শ্যাম্পু করে তাহলে সালফেট ফ্রি ও প্যারাবেন ফ্রি শ্যাম্পু বেছে নেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন: গরম-ঠান্ডার দোলাচলে বাড়ছে অ্যালার্জির প্রকোপ! কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন বাচ্চাদের?
কন্ডিশনার
চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর উপযোগী কোনও কন্ডিশনার বেছে নেওয়া খুব জরুরি। কন্ডিশনার চুলের রুক্ষ ভাব কমিয়ে চুল নরম এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে। কখনোই কন্ডিশনার স্ক্যাল্পে লাগাবেন না। হাতের তালুতে নিয়ে চুলে লাগাতে হয়। চুলের ডগায় ভালো করে লাগিয়ে নেবেন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে নিলেই চুলের রুক্ষতা অনেকটাই কমবে।
হেয়ার মাস্ক
হেয়ারস্টাইল করার জন্য চুলে আমরা হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনিং খুব বেশি ব্যবহার করে ফেলি। এতে চুলের রুক্ষতা এবং শুষ্কতা আরও বেড়ে যায়। তাই সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাসে একবার অথবা দুবার প্রোটিন হেয়ার মাস্ক লাগানো খুব জরুরি। এর ফলে চুলের গোড়া পরিষ্কার এবং চুলের ফলিকল মজবুত থাকে। নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।










