ক্ষমতায় এসেই অ্যাকশনে নতুন সরকার, গরু পাচার রুখতে নেওয়া হচ্ছে বড় পদক্ষেপ

Published:

Cow Smuggling

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের একের পর এক দুর্নীতিতে রীতিমত ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল রাজ্যবাসী, যার মধ্যে অন্যতম ছিল গরু পাচার মামলা। আর এবার বঙ্গ রাজনীতিতে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) গরু পাচার (Cow Smuggling) রুখতে নিল বড় পদক্ষেপ, প্রতিটি জেলার পুলিস সুপার এবং সিপিদের দেওয়া হল কড়া বার্তা।

গরু পাচার রুখতে বড় পদক্ষেপ

রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই গরু পাচার রোধ করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে আর যাতে গরু পাচার না হয় তা নিশ্চিত করতে জেলার পুলিশ সুপার এবং সিপিদের নজর রাখতে বলা হয়েছে। এবং রাজ্যের কোথাও যাতে কোনো বেআইনি গরুর হাট খোলা না থাকে সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। গরু পাচার দুর্নীতি মামলার মাঝে শুভেন্দু সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার এই সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকরী হয়ে ওঠে সকলের কাছে।

মামলায় জড়িয়েছিলেন অনুব্রত

উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় নাম উঠে এসেছিল বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলের নাম। ২০২২ সালের ১১ অগস্ট এই মামলায় গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে ২০২৩ সালে ওই মামলাতেই তাঁর কন্যাকে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর তিহাড় জেলে ঠাঁই হয়েছিল বাবা এবং মায়ের। মামলার খুঁটিনাটি জানতে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল। বার বার জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি, কিন্তু জামিন পেলে তিনি সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন, সেই যুক্তিতে বেশ কয়েক বার অনুব্রতের জামিন খারিজ হয়েছিল। তবে বর্তমানে সিবিআই এবং ইডি, দুই মামলাতেই জামিন মঞ্জুর হয়েছে কেষ্টর।

আরও পড়ুন: UPI পেমেন্টেই ফাঁস! চন্দ্রনাথ রথ হত্যা মামলায় CID-র হাতে গ্রেফতার ৩

প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় যে শুধু তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত ছিল তা নয়, এই ঘটনায় নাম উঠে এসেছিল পরিতোষ মহালদার নামের এক বিজেপি নেতার। তিনি বনগাঁ দক্ষিণের নেতা হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ সালে একটি গরু পাচার মামলায় তিনি জড়িত ছিলেন। এখন দেখার এই বেআইনি কাজ রুখতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নতুন বিজেপি সরকার।