সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) শান্তিনিকেতনের অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নোটিস আগেই পাঠানো হয়েছিল। তবে তৃণমূল সাংসদ আরও ১০ দিন সময় চেয়ে নিয়েছিল পুরসভার কাছ থেকে। এদিকে আজ তাঁর বাড়ির সামনেই হঠাৎ একটি বুলডোজার এসে দাঁড়ায়, যা নিয়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজ্যের রাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় মহলে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি অভিষেকের শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) ভেঙে দেওয়া হবে? যদিও সেরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি।
অভিষেকের বাড়ির সামনে বুলডোজার
প্রসঙ্গত, হরিশ মুখার্জী রোডে অবস্থিত অভিষেকের শান্তিনিকেতন বাসভবনে অবৈধ নির্মাণ রয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, ওই বহুতল নির্মাণের ক্ষেত্রে মূল নকশার বাইরে কিছু প্ল্যান বহির্ভূত কাজকর্ম করা হয়েছিল। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৭ দিনের জন্য সময়সীমা দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। কিন্তু সুর নরম করে অভিষেক তাঁর আইনজীবী মারফত আরও ১০ দিনের জন্য সময় চেয়ে নেন, যা মঞ্জুর করেছে পুরসভা। কিন্তু তার মধ্যেও যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের উদ্যোগে অবৈধ নির্মাণ না ভাঙে তাহলে পুরসভা তা উড়িয়ে দেবে বলেই খবর।
যদিও প্রথমে বাড়ি ভাঙার নোটিশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। এমনকি তিনি বলেছিলেন যে, “বাড়ি ভেঙে দেয় দেবে। কিন্তু আমি আমার লড়াই চালিয়ে যাব।” তবে পরে সুর নরম করতে বাধ্য হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিকে আজ হরিশ মুখার্জী রোডের সেই শান্তিনিকেতনের সামনেই গিয়ে দাঁড়ায় একটি বুলডোজার। স্বভাবতই সকলের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাহলে কি অভিষেকের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার জন্য এই বুলডোজার পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা?
আরও পড়ুন: সব মহিলারা পাবে না সরকারি বাসে ফ্রিতে ভ্রমণের সুবিধা! জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
যদিও পুরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, বুলডোজারটি অভিষেকের বাড়ি ভাঙার জন্য নয়, বরং হরিশ মুখার্জী রোডকে যানজট মুক্ত করার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই রাস্তার উল্টোদিকে ফুটপাতের পুরনো কভার ব্লক বদলানোর কাজ চলছে। আর সেখানে পুরনো ইট ও কংক্রিটের চাঙড় তুলতে পুরসভা বুলডোজার নিয়ে গিয়েছিল। আপাতত তাঁর বাড়ি ভাঙা হচ্ছে না। কিন্তু সময়সীমার মধ্যে যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে হয়তো পুরসভা বাধ্য হয়ে বুলডোজার চালাতে পারে।










