অরুণাচলে জঙ্গি হামলায় শহিদ অসম রাইফেলসের জওয়ান, আহত ৪

Published:

Arunachal Pradesh

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে Assam Rifles-এর টহলদলের উপর হামলার ঘটনায় মৃত্যু হল এক জওয়ানের। আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার সকালে চাংলাং জেলার নামপং এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক রিপোর্টে হামলার পিছনে NSCN (K-YA)-র সদস্যদের হাত রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হলেও, এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি সূত্রে হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

কখন ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা?

ঘটনাটি ঘটে সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ নামপং সার্কেল-এর নামপং নালা এলাকায়। সেই সময় Assam Rifles-এর একটি টহলদল ভারত-মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় দায়িত্বে ছিল। ওই এলাকায় বর্তমানে সীমান্তে ফেন্সিং-এর কাজও চলছে। টহল চলাকালীন আচমকাই জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। হামলায় ৪২ বছর বয়সি হাবিলদার জাংখোকাই কুকি গুরুতর জখম হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। আরও চারজন জওয়ান আহত হয়েছেন। তাঁদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

ঘটনার পর ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি ও অভিযান শুরু করেছে। হামলার সঠিক পরিস্থিতি এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

NSCN (K-YA)-র যোগের সন্দেহ

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার সঙ্গে NSCN (K-YA), অর্থাৎ NSCN-এর ইয়ুং অং গোষ্ঠীর সদস্যদের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং হামলাকারীদের পরিচয় সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আরও পড়ুন: “ভারতের পিছিয়ে আসা উচিত” ওয়ার্নিং দিলেন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

এদিকে Assam Rifles-এর তরফে নিহত হাবিলদার জাংখোকাই কুকিকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন। ফলে হামলার নেপথ্যের কারণ, হামলাকারীদের সঠিক পরিচয় এবং আহত জওয়ানদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরবর্তী সরকারি তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।

google button