সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের অভিযোগ ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রঙ্কাকে (CJP Leader) গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। তবে তাঁদের জেল হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধির আগেই মুক্তি দেয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তা সত্ত্বেও সৌরভ, আশুতোষ এবং সিন্ধেকে তলব করল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। আগামী ২২ অক্টোবর তাঁদের জেরা করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ফের আশুতোষদের তলব করলে দিল্লি পুলিশ
তিহার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার ঠিক একদিন পরই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফ থেকে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কার কাছে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়ায় দ্রুত যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরের তালাবন্ধ গেট টপকে ভিতরে প্রবেশ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছিল তাঁদের। কারণ, ওই এলাকাকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে বাতিল করা হয়। সেই ঘটনায় তাঁদের ৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে গত বুধবার দিল্লির একটি বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাদের মুচলেকা বন্ড গ্রহণ করে মুক্তির নির্দেশ দেয়। এমনকি তাঁরা জানায় যে যতদিন না পর্যন্ত যন্তর মন্তর ডিনোটিফাইড থাকবে ততদিন তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন না। তার আগে গত বুধবার সৌরভ এবং আশুতোষ রঙ্কা তাঁদের হেফাজতকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্ট তাঁদের বিকল্প আইনি পথে যাওয়ার নির্দেশ দেয় এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে বলে। তার পরপরই তাঁরা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।
আরও পড়ুন: “আপনাদের নির্দেশ মেনে চলতে…” এদের নিজের থেকেও ‘বড় নেতা’ বলে সম্বোধন অভিজিৎ দীপকের
এমনকি শুনানির সময় দিল্লি হাইকোর্ট উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায় যে স্থানটি বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেখানেই তাঁরা বারবার নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে প্রবেশ করছেন। এটি অন্যদেরও আইন ভাঙতে উৎসাহিত করতে পারে। তা সত্ত্বেও বন্ড মারফত মুক্তি পাওয়ার পর অভিজিৎ দীপকে এবং ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে তাঁদেরকে স্বাগত জানানো হয়। কিন্তু একদিন কাটতে না কাটতেই আবারও তাঁদের তলব করল দিল্লি পুলিশ।










