প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে চালু হতে চলেছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত স্লিপার, কোন রুটে? জানুন

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Express) পেয়েছে বাংলা। যে ট্রেনটি ছুটছে হাওড়া থেকে কামাখ্যা রূটে। সেই প্রথম সংস্করণের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) হাত ধরে দেশে চালু হতে চলেছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত স্লিপারের পরিষেবা। আগামী 17 জুলাই এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু দেশের কোন রুটে চলবে এই বিশেষ ট্রেন? ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সেই তথ্য।

কোন রুটে ছুটবে দেশের দ্বিতীয় বন্দে ভারত স্লিপার?

রেল মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপারের পর এবার দ্বিতীয় স্লিপার ট্রেনটি পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশের মধ্যে চলবে। জানা যাচ্ছে, আগামী 17 তারিখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পঞ্জাবের অমৃতসরের নিকটবর্তী ছেহার্টা স্টেশন থেকে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত চলবে। মনে করা হচ্ছে, এই রুটে বন্দে ভারতের বিশেষ সংস্করণটি একবার চালু হয়ে গেলে কার্যত ভিড় উপচে পড়বে ট্রেনটিতে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই ট্রেনটি চালু হয়ে গেলে উত্তরপ্রদেশের কাশী বিশ্বনাথ মন্দির থেকে শুরু করে বারাণসীর বিভিন্ন পবিত্র ধর্ম ক্ষেত্র ভ্রমণের সাথে সাথে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দারা সহজেই অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির দর্শন করতে পারবেন। এক কথায়, এই বিশেষ ট্রেনের দৌলতে পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক, পর্যটন এবং ব্যবসায়িক মেলবন্ধন ঘটবে।

রেলের কয়েকজন আধিকারিকের দাবি, পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পৌঁছতে রাজধানী বা অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনে যা সময় লাগে তার থেকে কয়েক ঘণ্টা কম সময় লাগবে বন্দে ভারত স্লিপারে। সবচেয়ে বড় কথা, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপারের মতোই এই ট্রেনে রয়েছে উন্নতমানের শক অ্যাবজর্বার এবং সাসপেনশন ব্যবস্থা। যার ফলে ঝাঁকুনি ছাড়াই আরামে গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। এছাড়াও প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের মতোই নতুন ট্রেনটিতে রয়েছে বায়ো টয়লেট, শাওয়ার, অত্যাধুনিক সাজশয্যা। সাথে সাথে এই ট্রেনে থাকছে ভারতীয় রেলের কবচ প্রযুক্তিও।

অবশ্যই পড়ুন: বেকারদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ জেলা পুলিশের, কর্মসংস্থানের জন্য চালু মোবাইল অ্যাপ

ভাড়া কত?

ভারতীয় রেলের আর পাঁচটা এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় যেহেতু বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি অনেকটাই উন্নত এবং এটি যেহেতু প্রিমিয়াম ও সেমি-হাই স্পিড ট্রেন ফলে বাকিদের তুলনায় এর ভাড়া কিছুটা হলেও বেশি হবে। সে ক্ষেত্রে অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় 20 থেকে 25 শতাংশ বেশি হবে এই ট্রেনের ভাড়া। আগামী 17 জুলাই প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ট্রেনটির উদ্বোধন হয়ে গেলেই IRCTC ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু হয়ে যাবে টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া।

google button