সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার মহিলাদের জন্য একটি স্কিম থেকে নাম বাদ পড়ল এক ধাক্কায় ৬২ লক্ষ জনের। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। সরকারি চাকরি থাকা সত্ত্বেও বহু মহিলা স্কিমের সুবিধা গ্রহণ করছিলেন। তবে আর নয়, সকলের ওপর বিরাট শাস্তির খাড়া নেমে এল। নানা নথি খতিয়ে দেখার পর এখন সরকারের তরফে অযোগ্যদের থেকে টাকা ফেরত নেওয়া হবে বলে খবর। আজ কথা হচ্ছে ‘লড়কি বাহিন যোজনা’ (Ladki Bahin Yojana) নিয়ে। মহারাষ্ট্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর ‘লড়কি বাহিন যোজনা’ চালু করে। এই প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর থেকেই কোষাগারের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ বারবার উঠেছে।
প্রকল্প থেকে নাম বাদ পড়ল ৬২ লক্ষ মহিলার
জানা গিয়েছিল যে অন্যান্য বিভাগীয় প্রকল্প থেকে তহবিল সরিয়ে এই প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও বিরোধী দল এই প্রকল্পের দিকে আঙুল তুলেছিল। এখন তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পিএম কেয়ার্স ফান্ডের চেয়েও বেশি অর্থ এই প্রকল্পের অযোগ্য সুবিধাভোগীদের জন্য ব্যয় করা হয়েছে। ‘লড়কি বাহিন’ প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে গত দুই বছরে এর সুবিধাভোগীদের তালিকা বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে। তবে, অনেক অযোগ্য সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। RTI-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৯২ লক্ষ অযোগ্য সুবিধাভোগীর জন্য ৯,৬০৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
আর কারা পাবেন না ১৫০০ টাকা?
সরকারের তরফে প্রতি মাসে এই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হত। কিন্তু প্রায় ৬২ লক্ষ সুবিধাভোগী, যাঁরা ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করেননি, তাঁদের যোগ্য সুবিধাভোগীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১৬ লক্ষ সুবিধাভোগী, যাঁদের পারিবারিক আয় বার্ষিক ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি, তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ৩ লক্ষ ৬০ হাজার সুবিধাভোগী, যাঁরা সঞ্জয় গান্ধী নিরাধর অনন্ত যোজনার অধীনে সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ২ লক্ষ ৫০ হাজার সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ দেখা গেছে যে পরিবারের অন্য কোনো সদস্য এই প্রকল্পে নাম লিখিয়েছেন।
९,६०५ कोटींचा हिशोब कोण देणार?
आरटीआयमधून समोर आलेली माहिती धक्कादायक आहे. जून २०२६ पर्यंत तब्बल ९२ लाख अपात्र लाभार्थ्यांच्या खात्यात ९,६०५ कोटी रुपये वितरित झाल्याचे समोर आले आहे.
ई-केवायसी न करणे, उत्पन्न मर्यादा ओलांडणे, सरकारी कर्मचारी असणे किंवा एकाच कुटुंबातून अनेक अर्ज…
— Jayant Patil- जयंत पाटील (@Jayant_R_Patil) August 22, 2026
১ লক্ষ ৮০ হাজার সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ দেখা গেছে যে তাঁদের বয়স ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী ৪ লক্ষ ৫০ হাজার সরকারি কর্মচারীকেও প্রকল্পটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, জেলা পর্যায়ে যাচাইয়ের পর আরও ১ লক্ষ ৭০ হাজার সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকার অযোগ্যদের থেকে টাকা আদায় করবে বলে রাজ্য নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগ সূত্রে খবর। যদিও জানিয়ে রাখি, যে সাড়ে ৪ লক্ষ সরকারি কর্মচারি রয়েছেন শুধুমাত্র তাঁদের কাছ থেকেই কিন্তু সরকার এই টাকা আদায় করবে।










