“সংখ্যালঘুরাও কর্মসংস্থান চান, বাবরি মসজিদ নয়..” রেজিনগরের উপনির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন শমীক

Published:

West Bengal Bypolls

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আজ সকাল থেকেই রেজিনগর উপনির্বাচনকে (West Bengal Bypolls) কেন্দ্র করে নানা অশান্তি হয়েই চলেছে শাসকদল এবং বিরোধী দলগুলির মধ্যে। সেখানকার কংগ্রেস সিপিএম প্রার্থীরা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি পুলিশের দ্বারা ভোট লুট অভিযোগও উঠে আসছে। কিন্তু এসবের মাঝেও রেজিনগর (Rejinagar) উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বেশ আশাবাদী শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

রেজিনগরে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শমীক

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আজ, জলপাইগুড়িতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রেজিনগরে যে বিজেপি জিতবে তা অনেকেই বিশ্বাস করতে চাইছেন না। কিন্তু রেজিনগরের সংখ্যালঘুরাও কর্মসংস্থান চান, কারখানা চান। বাবরি মসজিদ চাননা। নন্দীগ্রামে গতবারের মার্জিনের থেকে এবার পাঁচগুণ বেশি হবে। এবং বিজেপি প্রার্থী জিতবেন।”এদিন ইন্ডিয়া জোটের অস্তিত্ব নিয়েও সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন শমীকবাবু।

ইন্ডিয়া জোটকে নিয়ে কটাক্ষ শমীকের

বিরোধী শিবিরের ঐক্যের অভাব নিয়ে ইন্ডিয়া জোটকে কটাক্ষ করে শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, “গত লোকসভা নির্বাচনের আগেও ওই দলগুলি একসঙ্গে একটিমাত্র যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন পর্যন্ত করতে পারেনি। যেখানেই নির্বাচন হচ্ছে, সেখানেই সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করছে। তাই জনগণের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরোধীরা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বিবৃতি দিচ্ছেন। দেশের সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও এভাবেই দেশ এগোবে।”

আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে ভোট লুট বিজেপির! রেজিনগর-নন্দীগ্রামে ফের ভোটের দাবি কংগ্রেসের

অন্যদিকে নন্দীগ্রামের ভোটার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এদিন নন্দনায়কবাড় বুথে ভোট দেওয়ার পরেই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, “আমি যতদিন বেঁচে আছি, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েই থাকব।” অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। এদিন হুমায়ুন কবীরের গ্রেফতারি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আইন সবার জন্য সমান। ভোট কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ঘোরাফেরা করা যায় না। নওদার বিধায়ক আইন ভেঙেছেন, তাই গ্রেফতার হয়েছেন।”

google button