অনন্যা সরকার, কলকাতা: ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) বীর জওয়ানদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কাহিনী হাতে গুনে শেষ করার মতো নয়। দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রতি মুহূর্তে তারা আত্মবলিদান দিতেও পিছপা হন না। সন্ত্রাসবাদ রুখতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সাহসিকতার পরীক্ষা দিতে হয়। সেরকম পরীক্ষাই দিয়েছিলেন ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ (Lance Naik Meenatchi Sundaram A) ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম এলাকার (Kulgam Encounter) দুর্গম অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ৩৪ তম ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসবাদীদের সাথে তীব্র গোলাগুলির লড়াই চলার সময় মিনাতচি সুন্দরম এ মুখে ও ডান কাঁদে গুরুতর আঘাত পান। কিন্তু এই আঘাতও তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি লড়াই চালিয়ে যান এবং খুব কাছ থেকে এক সন্ত্রাসবাদীকে গুলির আঘাতে শেষ করেন।
কীর্তিচক্রে ভূষিত বীর সেনা
এই অসাধারণ বীরত্ব ও সাহস দেখানোর জন্য ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ-কে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব পুরস্কার কীর্তি চক্রে (Kirti Chakra) ভূষিত করা হয়েছে। তিনি আর্টিলারি রেজিমেন্টের সদস্য ও জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ দমন করার জন্য মোতায়েন থাকা ৩৪ তম রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ইউনিটগুলি ভারতের সবচেয়ে প্রতিকূল অঞ্চলগুলিতে মোতায়েন থাকে। এই বাহিনী প্রায়শই গোয়েন্দা তথ্যের উপর ভিত্তি করে তল্লাশি অভিযান, ঘেরাও করা, এমনকি সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে।
Meet Lance Naik Meenatchi Sundaram A.
A soldier who took a bullet on his face and still refused to stop.
On 19 December 2024, he was part of a counter-terrorist operation in Kulgam, South Kashmir.
He belongs to the Regiment of Artillery and was serving with 34 Rashtriya… pic.twitter.com/MTtQUHnm0U
— Ravi Kishan (@ravikishann) June 9, 2026
অপারেশনাল ইনপুট এর ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় একটি সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এই ইউনিটের মধ্যেই ছিলেন ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ। অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসবাদীদের সাথে সংঘর্ষে তীব্র গোলাগুলি চলতে শুরু করে এবং গুলিবিদ্ধ হয় মিনাতচি সুন্দরম এ। মুখে ও ডান কাঁধে গুরুতর আঘাত পান।
আরও পড়ুনঃ গ্রাহকদের দিল বড় ঝটকা দিল HDFC ব্যাংক, এবার বাড়তে পারে খরচ
এরকম আঘাতে যে কোনও মানুষই অক্ষম হয়ে যেতে পারেন কিন্তু দুঃসাহসিক মনোবল দেখিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। যন্ত্রণা ও রক্তক্ষরণকে উপেক্ষা করে এক জঙ্গিকে খুব কাছ থেকে গুলির আঘাতে খতম করেন মিনাতচি সুন্দরম এ। তার এই সাহস তার দলকে অভিযানের গতি বজায় রাখতে এবং সেনাদের জন্য পরিস্থিতি আরও বিপদজনক হওয়া থেকে রক্ষা করেছিল।










