মিলেছে ২০,০০০ টাকা বকেয়া, এখন রাজ্য সরকারের কাছে ৫% DA-র দাবি কর্মীদের

Published:

Arrears

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘদিন পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। বহুদিন ধরেই কর্মীরা তাঁদের সংশোধিত বেতন স্কেলের বকেয়া (Arrears) পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন। অবশেষে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আগস্ট মাসের ২০,০০০ টাকা বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। যদিও এখন অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ডিএ নিয়ে চলছে জল্পনা। তবে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর উৎসবের মরশুমের আগে এই বকেয়া নিঃসন্দেহে সরকারি কর্মচারীদের জন্য যে স্বস্তির খবর তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

২০ হাজার টাকা বকেয়া পেলেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা

হিমাচল প্রদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্তে মূলত রাজ্যের চতুর্থ শ্রেণীর নিয়মিত কর্মচারীরা স্বস্তি পেয়েছেন। গ্রুপ ডি কর্মচারী ইউনিয়ন এই সিদ্ধান্তের জন্য রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুকুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। তবে বকেয়া পরিশোধের পাশাপাশি এখন কর্মচারীরা তাদের ৫% মহার্ঘ ভাতা প্রদানের দাবি জানিয়ে সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে তারা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ১৫% ডিএ প্রদান করেছে। তবে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে তারা।

এ বিষয়ে গ্রুপ-ডি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি সন্দীপ সিং, সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র কুমার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জয়, যুগ্ম সম্পাদক জাসবীন্দর সিং এবং অন্যান্য পদাধিকারীরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে সংশোধিত বেতন স্কেলের বকেয়া ২০,০০০ টাকা নগদ মিটিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্ত সেই সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য আর্থিক স্বস্তি, যারা দীর্ঘদিন ধরেই বকেয়া বেতনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এমনকি ইউনিয়ন আশা করছে, সরকার ভবিষ্যতে কর্মচারীদের দাবিগুলিকে অগ্রাধিকার দেবে।

আরও পড়ুন: ডলারের বিপরীতে মুখ থুবড়ে পড়ল ভারতীয় রুপি, দেখুন রেট

আসলে বকেয়া পরিশোধের পর গ্রুপ ডি কর্মচারীরা এখন সরকারের কাছে ৫% মহার্ঘ ভাতা প্রদানের জোরালো দাবি তুলেছেন। ইউনিয়নের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মচারীদের স্বস্তি দিতে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত ৫% মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে বিবেচনা করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি ইউনিয়নের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির যুগে মহার্ঘ ভাতা কর্মচারীদের জন্য অপরিহার্য। তাই দৈনন্দিন চাহিদা আর ক্রমবর্ধমান খরচের মধ্যে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের পর্যালোচনা করা উচিত।