ভারতের সাথে আলোচনায় বসে সমস্যা মেটানোর ইঙ্গিত, হঠাৎ পাল্টি নেপালের!

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের সাথে লিপুলেখ বিবাদ নিয়ে ব্রিটেনের শরণাপন্ন (India-Nepal Problem) হয়েছিলেন নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ। প্রতিবেশী দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন, এ বিষয়ে ব্রিটেনের হস্তক্ষেপ দাবি করবেন তিনি! সেই ঘটনার কিছু দিনের মধ্যেই পাল্টি খেল নেপাল! খোদ প্রতিবেশী দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, নেপাল সরকার ভারতের সাথে পারস্পরিক আলোচনার মধ্যে দিয়ে সীমান্ত সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়ে নিতে চায়। উল্লেখ্য, আগেই ভারত জানিয়ে দিয়েছিল লিপুলেখ নিয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের দাদাগিরি বরদাস্ত করা হবে না!

হঠাৎ ইউ টার্ন নিল নেপাল

কিছুদিন আগেই নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ জানিয়েছিলেন, তিনি ভারতের সাথে নিপুলেখ নিয়ে বিবাদ সম্পর্কিত পুরনো নথিপত্রের বিষয়টি ব্রিটেনকে জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, ভারত এবং নেপালের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের আলোচনায় ব্রিটেনকেও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর ভারতের তরফে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, “নেপাল তৃতীয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে! তবে ভারত কোনও তৃতীয় দেশের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না!”

নয়া দিল্লির কঠোর মনোভাবের পর এবার পাল্টি খেলো নেপাল! বুধবার নেপালের সংসদে দাঁড়িয়ে নেপালি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, নেপাল সরকার ভারতের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিতে চায়। তাঁর বক্তব্য ছিল, “আমি এই সম্মানিত সংসদে স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, নেপাল-ভারত সীমান্ত সমস্যাটি দুই দেশের মধ্যেকার বিষয় এবং নেপাল ঐতিহাসিক চুক্তি, সমঝোতা এবং পারস্পরিক কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে দিয়ে সেটা মিটিয়ে নিতে চায়।”

অবশ্যই পড়ুন: অদিতি মুন্সির কার্যালয়ে বিপুল ত্রাণ, পাশে ধারালো অস্ত্র! হাতেনাতে ধরলেন তরুণজ্যোতি

এদিন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বললেন, নেপাল-ভারত সীমান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি পুনরায় সেইসব এলাকায় কাজ শুরু করে দিয়েছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে কাজ থমকে ছিল। বলাই বাহুল্য, গত সপ্তাহে ভারত সফরে এসেছিলেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির। আর দেশের মাটিতে পা রেখেই ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকরের সাথে বৈঠক করেন তিনি। আর তারপর দেশে ফিরে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।