কাতারে গ্যাস প্ল্যান্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ১২ ভারতীয়

Published:

Qatar Blast

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বিদেশের মাটিতে আবারও প্রাণ গেল বহু ভারতীয়র। কাতারের (Qatar) রাস লাফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১২ জন ভারতীয় নিহত হয়েছেন। এই বিস্ফোরণে (Gas Plant Explosion) মোট ১৩ জন মারা গেছেন। দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছে। দূতাবাস আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় আহত সকলের অবস্থা স্থিতিশীল এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাতারে গ্যাস প্লান্ট বিস্ফোরণে মৃত বহু ভারতীয়

দেশের প্রধান এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান শিল্প শহরের অংশ বারজান গ্যাস স্থাপনায় এই বিস্ফোরণটি ঘটে। কাতারি কর্তৃপক্ষ এটিকে একটি কারিগরি দুর্ঘটনা বলে অভিহিত করেছে এবং একটি তদন্ত শুরু করেছে। সোমবার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় আল-কাআবি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এই বিস্ফোরণে মোট ৬৬ জন আহত হয়েছেন। যদিও আহত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

আরও পড়ুনঃ উল্টে যাচ্ছে আবহাওয়া! মহাসঙ্কটে ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলির ১০০ কোটি মানুষ

কাতারের দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা ‘এক্স’ -এ একটি পোস্টে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, “দুর্ভাগ্যবশত, রবিবার রাতে রাস লাফান শিল্প শহরে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ১২ জন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই শোকের মুহূর্তে আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনায় আহত সকলেই বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন এবং যথাযথ চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। দূতাবাস কাতারি কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিক ও তাদের পরিবারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে।

সতর্ক রয়েছে ভারত

ঘটনায় সতর্ক রয়েছে ভারত, নজর রাখা হচ্ছে বিষয়টির ওপর। নিহতদের মরদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে খবর। রবিবার রাতে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র রাস লাফান শিল্প এলাকায় একটি বিস্ফোরণ ঘটে। জায়গাটিতে কার্যক্রম পুনরায় চালুর প্রচেষ্টা চলার সময় এই বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে ৭০ কিলোমিটার দূরে দোহাতেও তা অনুভূত হয়। বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন লেগে যাওয়ায় জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

আরওGasQatar