বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি একটানা বৃষ্টির কারণে সরকারি নির্দেশের পর খুলে দেওয়া হয় পাঞ্চেত থেকে শুরু করে মাইথন, ফারাক্কা সহ একাধিক বাঁধের লক গেট (Bangladesh Flood Risk)। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে গঙ্গার জলস্তর আশঙ্কাজনকভবে বেড়ে যাওয়ায় ফারাক্কা ব্যারেজের সমস্ত গেট (Farakka Gate Opening) খুলে দেওয়া হয়। যার ফলে একসাথে বিপুল পরিমাণ জল বয়ে যাওয়ায় গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চল ও নিম্নানচলগুলি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে! ফারাক্কা ব্যারেজের সমস্ত গেট খুলে দেওয়ায় একসাথে প্রচুর জল ঢুকছে বাংলাদেশেও (Bangladesh)। গঙ্গার পাশাপাশি বাড়ছে পদ্মার জলস্তর!
বানভাসী হবে বাংলাদেশ?
বিহার ও ঝাড়খণ্ডের অতিরিক্ত জলের চাপ কমাতে এবং জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে ফারাক্কা ব্যারেজের 109টি গেট খুলে দেওয়া হয়। আর তাতেই একসাথে বিপুল পরিমাণ জল ঢুকেছে বাংলাদেশ। ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পর তা সরাসরি গঙ্গা এবং পদ্মা নদীতে গিয়ে মিশেছে। তাতে বেড়েছে পদ্মার জলস্তর। এ প্রসঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আর ডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, জলের প্রচন্ড চাপের কারণে ব্যারেজ থেকে প্রায় 16 লাখ কিউসেক জল নিম্নাঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
🚨 𝗕𝗥𝗘𝗔𝗞𝗜𝗡𝗚: India releases excess upstream water amid rapid rise in Padma river levels
🇮🇳🇧🇩 || Flooding risks intensify in Rajshahi and Chapainawabganj as river swells
🌊 All 109 gates of Farakka Barrage opened to manage upstream water flow
📈 Padma river at Rajshahi… pic.twitter.com/bco0K1DLtA
— Resonant News🌍 (@Resonant_News) September 12, 2026
আরও পড়ুন: ভারতকে একসাথে ১০১টি ধাক্কা দিতে পারে বাংলাদেশ! প্রস্তুতি ঢাকার
ফারাক্কা ব্যারেজের ওই জেনারেল ম্যানেজার এও জানান, 16 লাখ কিউসেক জলের পাশাপাশি ফিডার ক্যানেল দিয়ে 40 হাজার কিউসেক জলও ছাড়া হয়েছে। যার ফলে কিছু ঘণ্টার মধ্যেই গঙ্গার জলস্তর বেড়ে 23.75 মিটার অর্থাৎ প্রায় 80 ফুট হয়ে যায়। লাফিয়ে বাড়তে থাকে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর জল স্তর। তাতে ওপার বাংলার একাধিক এলাকা বানভাসী হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।
বলাই বাহুল্য, পশ্চিমবঙ্গের নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের নদী সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে ঘরবাড়ি হারানোর আশঙ্কা বাসা বেঁধেছে। যদিও সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সময়ের সাথে সাথে আবহাওয়া এবং পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে 48 ঘণ্টার মধ্যেই পদ্মা নদীর জল স্তর কমতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেই মনে করছেন, হয়তো এবারের মতো বন্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন বাংলাদেশীরা!










