বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াইয়ে (Hawaii) আছড়ে পড়েছে হ্যারিকেন লালা (Tropical Cyclone)! প্রবল বাতাস এবং একটানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ঘূর্ণিঝড় ওই অঙ্গরাজ্যের দিকে এগোতে থাকায় ভূমিধস, বন্যা ও বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এরই মাঝে হাওয়াইয়ের অন্তত 42 হাজার বা তারও বেশি মানুষ বর্তমানে বিদ্যুৎহীন হয়ে একেবারে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। এদিকে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে হাই অ্যালার্ট জারি করেছে আমেরিকার ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার।
পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে!
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রবল ঘূর্ণিঝড় এবং বৃষ্টিপাতের কারণে হাওয়াইয়ে শনিবার পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন মানুষের সংখ্যা ছিল 42 হাজার 889। যদিও, আমেরিকার ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টারের তরফে আগাম পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছিল, বিগ আইল্যান্ডে 20 ইঞ্চি পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বেশি হবে বলেই জানিয়েছিল হ্যারিকেন সেন্টার। একই সাথে এ-ও বলা হয়েছিল, অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধস বা আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে।
The rushing waters at Hilo’s Rainbow Falls show the dramatic impact of Hurricane Lala. A Flash Flood Warning is in effect for Hawaii Island, where the storm is forecast to dump 10 to 20 inches of rain, with localized totals reaching up to 25 inches. pic.twitter.com/cPZL39BPWt
— Hawaii News Now (@HawaiiNewsNow) August 16, 2026
এখানেই শেষ নয়, হাওয়াইয়ান ইলেকট্রিক জানিয়ে দিয়েছিল, প্রবল ঝড় এবং বৃষ্টিপাতর কারণে একাধিক এলাকার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়তে পারেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর দুটো নাগাদ হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুদিন হয়ে পড়েন। ঘন্টায় অন্তত 100 কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গিয়েছিল সেই সময়। বিগ আইল্যান্ডের মাউনাকেয়া ওয়েদার সেন্টার সেই হাওয়ার গতিবেগ রেকর্ড করেছিল।
অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে আটকানোর যোগ্যতা নেই পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রের! বলছে আমেরিকা
এদিকে, অতি ভারী বৃষ্টি এবং হ্যারিকেনের ফলে ব্যাহত হয়েছে হাওয়াইয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এ প্রসঙ্গে অঙ্গরাজ্যটির পরিবহন বিভাগের তরফে জানানো হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হিলো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বন্ধ করা হয়েছে এলিসন ওনিজুকা কোনা বিমানবন্দর। একই সাথে মাউই কাউন্টি থেকে শুরু করে হাওয়াই দ্বীপের মতো বাণিজ্যিক বন্দরগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মূলত ওয়ান ক্যাটাগরির এই হ্যারিকেন নিয়ে সতর্কতা জারি করে আমেরিকার তরফ জানানো হয়েছে কোনও নাগরিক যেন ভয় না পায় এবং সতর্ক থাকে।










