অসংগঠিত কর্মীদের জন্য PF-র মতো সুবিধা! বড় প্ল্যান EPFO-র

Published:

EPFO

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে EPFO। জানা গিয়েছে, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সার, গিগ কর্মী এবং অসংগঠিত খাতের অস্থায়ী কর্মীদের জন্য পিএফ-এর সুবিধা চালু করতে পারে। এই লক্ষ্যে, সংস্থাটি একটি নতুন ইউনিভার্সাল প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম (UPF) চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো, বর্তমানে যারা এর আওতার বাইরে রয়েছেন, তাদের কাছে পিএফ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

বড় সুবিধা চালু কর‍তে চলেছে EPFO

এঈ নতুন স্কিমের আওতায় থাকবেন ফ্রিল্যান্সার, গিগ কর্মী যেমন ডেলিভারি বয় এবং ক্যাব চালক, স্ব-নিযুক্ত ব্যক্তি, পরামর্শদাতা এবং অসংগঠিত খাতের কর্মীরা। নতুন এই স্কিমের অধীনে, সদস্যরা তাদের আয় অনুযায়ী পিএফ-এ অর্থ জমা করতে পারবেন। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো অর্থ জমার পদ্ধতি আরও সহজ করা। সদস্যরা তাদের সুবিধা অনুযায়ী দৈনিক, মাসিক বা এমনকি বছরে একবারও অর্থ জমা করতে পারবেন। এই স্কিমটি বিশেষ করে তাদের জন্য উপকারী হবে যাদের আয় নিয়মিত নয়। এই স্কিমটি বিদ্যমান ইপিএফ-এর মতোই কর ছাড়ের সুবিধাও দেবে।

প্রকল্পের সুবিধাগুলি কী কী হতে পারে?

সুবিধা সম্পর্কে বললে, নতুন এই স্কিম যদি চালু হয় তাহলে সদস্যরা বার্ষিক ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা এবং তার উপর অর্জিত সুদ করমুক্ত। টাকা তোলার নিয়মও সরল করা হতে পারে। সদস্যরা অবসর গ্রহণের পরেও তাদের সম্পূর্ণ তহবিল EPFO-তে রাখতে পারবেন। তাদের জন্য একটি সিস্টেমেটিক উইথড্রয়াল প্ল্যানের বিকল্পও থাকতে পারে, যার মাধ্যমে তারা প্রয়োজন অনুযায়ী কিস্তিতে ফান্ডের টাকা তুলতে পারবেন।

এই প্রকল্পে সরকার কোনো আর্থিক অনুদান দেবে না। যদিও সরকার এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি, ইপিএফও প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রযুক্তি পরিকাঠামো তৈরির জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছে। বাস্তবায়িত হলে, এই প্রকল্পটি সারা দেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিককে উল্লেখযোগ্য সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা প্রদান করবে। এদিকে সম্প্রতি নিয়োগকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইপিএফও ‘বিশ্বাস ২০২৬‘ নামে একটি এককালীন বিরোধ নিষ্পত্তি প্রকল্প চালু করেছে।

আরও পড়ুনঃ ৯০০০ কোটি টাকার তিস্তা প্রকল্প চিনের হাতে দিচ্ছে বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগ কোথায়?

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক শুক্রবার জানিয়েছে যে, স্বেচ্ছামূলক সম্মতিকে উৎসাহিত করা, মামলা-মোকদ্দমা কমানো এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি ২৯ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে এবং বিজ্ঞপ্তির তারিখ থেকে ছয় মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।