শান্তির ঘুম নষ্ট হচ্ছে নাক ডাকার আওয়াজে? এই ৪ উপায়ে মিলবে সমাধান

Published:

Health Tips

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঘুমের সময় নাক ডাকা (Snoring) অনেকেরই দৈনন্দিন সমস্যা। আসলে বর্তমান সময়ে কাজের ব্যস্ততার দরুন যে বিচ্ছিরি লাইফস্টাইল তৈরি হয়েছে তার ফলাফলই হল এই রোগ। এতে শুধু পাশের মানুষের ঘুম নষ্ট হয় না, অনেক সময় নিজেরও গভীর ঘুম ব্যাহত হয়। তবে এই নাক ডাকা সাধারণ সমস্যা হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে। তাই এখন থেকেই বেশ কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় (Health Tips) মেনে চললে উপকার পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

ওজনের নিয়ন্ত্রণ

যদি শরীরের ওজন অতিরিক্ত বেশি থাকে তাহলে সেটি কমানো জরুরি, কারণ এটিও নাক ডাকার মূল কারণ। আসলে চিকিৎসকদের কথায়, গলার চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমলে শ্বাসনালী ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়। এতে ঘুমোনোর সময় শ্বাস প্রশ্বাসের একাধিক সমস্যা হয়। তাই সেক্ষেত্রে নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুব জরুরি।

মদ্যপান এবং ধূমপান বন্ধ

অনেক সময় দেখা যায় যাঁরা অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ধূমপান করেন তাদের বেশি নাক ডাকতে দেখা যায়। তাই সেক্ষেত্রে অবশ্যই এই অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও ঘুমের আগে হালকা গরম জল খেয়ে নিতে হবে এবং গার্গেল করে নিতে হবে। এতে একদিকে যেমন অ্যালার্জি কমবে ঠিক তেমনই আবার নাক ডাকাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

নিয়মিত ব্যায়াম

নাক ডাকা কমানোর অন্যতম উপায় হল ব্যায়াম। প্রতিদিন কিছু ওয়ার্ক আউট করলে এবং কিছু সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে গলার পেশি শক্ত যেমন হয় ঠিক তেমনই শ্বাসনালীও বেশ প্রসারিত হয়। এছাড়াও এই ব্যায়ামের মাধ্যমে নাক ডাকার প্রবণতাও কমতে পারে। তবে যদি অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথাব্যথা দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: বাড়িতে সৌভাগ্যের সংকেত দেয় এই ৪ পাখি! কেটে যায় দুর্ভোগ

দুধ হলুদের ম্যাজিক

নাক ডাকার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক গ্লাস দুধে যদি অল্প একটু হলুদ মিশিয়ে পান করেন, তাহলে নাক ডাকার সমস্যা অনেকটাই কেটে যায়। কারণ হলুদের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-বায়োটিক রয়েছে যা নাক খোলা রাখতে সাহায্য করে।

আরওHealthSnoring