“ টেকনিক্যাল গ্লিচ..” লাইনে দাঁড়িয়েও ভোট দিতে পারলেন না চিরঞ্জিত চক্রবর্তী

Published:

Chiranjeet Chakraborty

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সরগরম রাজ্য রাজনীতি, দ্বিতীয় দফায় বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) কেন্দ্র করে রীতিমত উঠে পড়ে লেগেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ ক্রমাগত নজর রাখছে। এমতাবস্তায় বিভিন্ন জায়গায় EVM খারাপ হওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। আর এবার EVM বিকল হওয়ায় ভোট দিতে পারলেন না বারাসতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)।

ভোট দিতে পারলেন না চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।

রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ বুধবার, দ্বিতীয় দফা বিধানসভা নির্বাচনে দফায় দফায় EVM মেশিনের বিভ্রাটের খবর পাওয়া যাচ্ছে। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ উঠে আসছে। আর এবার সেই একই ঘটনার শিকার হলেন বারাসতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও। কলকাতা চারুচন্দ্র কলেজে ভোটের কেন্দ্র পড়ে তাঁর। কিন্তু সেখানে ভোট না দিয়েই বেরিয়ে গেলেন তিনি। কারণ EVM-এ গণ্ডগোল। এদিকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করায় ক্ষোভ ছড়ায় সাধারণ মানুষদের মধ্যেও।

কী বলছেন চিরঞ্জিত?

ভোট না দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাওয়ায় অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “EVM মেশিনের গোলমালের জন্যই ভোট দিতে পারিনি। তবে এটা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়। ইভিএম মেশিনে গন্ডগোল হতেই পারে। টেকনিক্যাল গ্লিচ হয়েছে হয়তো। যেটুকু শুনলাম যে আমাদের আগে আগে একজনের ডবল প্রেস হয়েছে। অসুবিধা নেই একটু ঘুরে আসি।” অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে দ্বিতীয়বার ভোট দিতে আসতে তাঁর একটুও অসুবিধে নেই। গণতন্ত্রের উৎসবে, নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতে তিনি বেশ দায়িত্বশীল।

আরও পড়ুন: “রিগিংয়ের মাধ্যমে জোর করে ভোট..” ভবানীপুরে BJP-র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ মমতার

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার মত দ্বিতীয় দফা নির্বাচনেও একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে EVM খারাপ হওয়া নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে। অনেক জায়গায় সকাল ৭ টার পরিবর্তে এক ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ভোটগ্রহণ শুরু হয়নি, এমন অভিযোগ সামনে এসেছে। আবার কোথাও মাঝপথেই আটকে গিয়েছে ভোটদান পর্ব। দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের ৩২৩ বুথে সকাল থেকে এভিএম খারাপ হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। তবে কর্মীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে চলেছে নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন করার।