প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হুঁশিয়ারির পরেই বারুইপুরকাণ্ডে (Baruipur Incident) সুজন চক্রবর্তী-সহ ৪ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা হল বিস্ফোরক অভিযোগ। সূত্রের খবর, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা, মিথ্যে খবর প্রচারের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে।
৪ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
১১ বছরের নাবালিকা হত্যা এবং গণধর্ষণ কাণ্ডে রীতিমত উত্তপ্ত বারুইপুর। গত রবিবার থেকে এলাকায় ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই অবস্থায় সুজন চক্রবর্তী, লাহেক আলি, মোনালিসা সিনহা এবং সইফুদ্দিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা, মিথ্যে খবর প্রচারের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বারুইপুর থানায়। জানা গিয়েছে এই অভিযোগ করেছেন বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি অরুণ প্রধান। অন্যদিকে এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিপিএম নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বেশ ক্ষুব্ধ। পরিস্থিতি এতটাই প্রথমদিকে বেসামাল হয়ে পড়েছিল যে রাস্তা, রেল অবরোধ, পুলিশের উপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা থেকে শুরু করে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকেও পিটিয়ে খুন করে উত্তেজিত জনতা। কিন্তু গতকাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে এসে জানিয়ে দেন, গণপিটুনিতে নিহত ওই যুবক নাকি নির্দোষ। এছাড়াও তিনি দাবি করেন যে এই অশান্তির পিছনে নাকি মৌলবাদী ও দেশবিরোধী শক্তি রয়েছে। আর তার পরেই সন্দেহভাজনদের কল রেকর্ডিং সংগ্রহ করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের চরম থেকে চরমতর শিক্ষা দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ১৫,০০০ টাকা দিয়ে শুরু ব্যবসা, উঠোনেই তৈরি হত পণ্য! আজ কয়েক হাজার কোটির কোম্পানি
গতকাল, শীতলকুচিতে সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল ডিম, যা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন সিপিএম নেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন সেই ভিডিও। জানা গিয়েছে, শীতলকুচিতে নদী থেকে উদ্ধার হয়েছিল সিপিএম কর্মী মণ্টু মিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ তাঁকে খুন করা হয়েছিল। আর সেই ঘটনাতেই মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মীনাক্ষী। তবে এই ডিম ছোড়া নিয়ে সিপিএম নেত্রীর অভিযোগ, কারও ওপর রাগ থাকলে আইনের মাধ্যমে তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু এটা কী ধরণের আইনের শাসন?










