সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের রাতেই নদীয়াতে নৃশংস ঘটনা। দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলের। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। মৃত দুই ব্যক্তির নাম আনিসুর রহমান এবং আবু সুফিয়ান। তবে বাম জমানা থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস, আর এখন রাম রাজত্ব, তা সত্ত্বেও সেই খুনোখুনির ঘটনা বিরাজমান বাংলায়। এবার এ নিয়ে সুর চড়ালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
নদীয়ার খুন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
প্রতিদিনের মতো আজও মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী। তবে সেখানেই সাংবাদিকদের তরফ থেকে তাঁকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়। প্রথমেই নদীয়ার এই জোড়া খুন নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে দিলীপ জানান, “এই ধরনের হিংসা তো বরদাস্ত করা হবে না। নিশ্চয় এই ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় হবে। কিন্তু পুরনো ঝগড়া যেগুলো রয়ে গেছে, এই যে এত বছর পশ্চিমবঙ্গ হিংসার রাজনীতি করে এসেছে, দেখে এসেছে, সেখান থেকেই এই সমস্ত ঘটনার সূত্রপাত।”
পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আরও সংযোজন, “আর কিছু কিছু লোক এরকম আছে দাগি লোক, সমাজ বিরোধী লোক, তাঁরা রাজনীতিতে এসে গেছে। তাঁরা নেতা হয়ে গেছে। এমএলএ, এমপি পর্যন্ত হয়ে গেছে। তাঁদের পুরনো রেকর্ড রয়েছে। তার থেকে এখনও কিছু ডিস্টার্ব হচ্ছে। আমার মনে হয় এগুলি ঠিক সময় সমাধান হবে।” প্রসঙ্গত শনিবার সন্ধ্যায় এই খুনের ঘটনা ঘটে। গাড়ি করে ফিরছিলেন ওই বাবা এবং ছেলে। তবে নাগাদি রেলগেটে তাঁদের গাড়ি পৌঁছতেই হামলা করা হয়। এমনকি প্রথমে গুলিতে ঝাঁঝরা করে পরে তাঁদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে বলেই অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু ‘কৃষি সখী’ প্রকল্প, মহিলাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, কী সুবিধা মিলবে জানুন
পাশাপাশি এদিন দিলীপ ঘোষ বীরভূমের টুলু মণ্ডল কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের প্রসঙ্গে জানান, “যে ক্ষমতায় ছিল, তার বেশ কিছু হ্যান্ডেলার ছিল। সমস্ত চ্যানেল তারাই তৈরি করে দিত। সবাইকেই তারা ভাগ করে দিত। তাই আসল অপরাধীদেরকে ধরতে তাদের অবধি পৌঁছনো প্রয়োজন। তাদের অবধি পৌঁছাচ্ছে। আরও ধরা পড়বে।”










