প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে মিটে গিয়েছে দুইদফা ভোট পর্ব (West Bengal Election 2026), এবার পালা ফলাফলের। আগামী ৪ মে জানা যাবে যে নীল বাড়ির দখলে কে আসছে, তৃণমূল নাকি বিজেপি? যদিও তৃণমূলের বিশ্বাস তাঁরাই চতুর্থবার দল গঠন করবে, অন্যদিকে সেই মন্তব্য উড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি। তাঁদের দাবি অজস্র আসন নিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করবে। এমতাবস্থায় দলীয় বৈঠকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ভোট প্রসঙ্গে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন। তিনি জানান ভবানীপুর (Bhowanipore) বিধানসভার শুধুমাত্র একটি ওয়ার্ডেই নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিড পাবেন।
একটি ওয়ার্ড থেকে লিড পাবেন মমতা!
রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার বিকেলে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের অরফানগঞ্জ রোডের ভবানীপুর বিধানসভার নির্বাচনী কার্যালয়ে এসেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট এক ঘরোয়া বৈঠক করেছিলেন। সেখানে ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ভোট প্রসঙ্গে জানতে চান শুভেন্দু। জবাবে ভবানীপুর বিধানসভায় ১ লক্ষ ৩৯ হাজারের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কেবলমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড প্রসঙ্গেই কিছু জানতে চাননি। কারণ শুভেন্দুর দাবি, শুধুমাত্র ওই ওয়ার্ডেই ভোটের পরিমাণ বাড়াতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কোন কোন ওয়ার্ডে এগিয়ে থাকবে BJP?
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে, কেবলমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই ১২-১৪ হাজার মতো ভোটের ব্যবধান পেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ সেখানে মুসলিম ভোটার রয়েছে। আর বাকি সাতটি ওয়ার্ডের ব্যবধানে ভর করেই শুভেন্দু ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হবেন বলেই দাবি করেছেন। এদিকে অধিকাংশ সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষাতেই দেখানো হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হতে চলেছে। ক্ষমতা হারাচ্ছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গে জিততে চলেছে বিজেপি। তবে তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে বাস্তবে এই সমীক্ষা সম্পূর্ণ উল্টো হতে চলেছে।
আরও পড়ুন: গ্রাহক পিছু আয় বাড়ল ৪২ শতাংশ, Jio-Airtel-র সাথে পাল্লা দিয়ে বড় লাফ BSNL-র
প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পরেও গণনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এদিকে, গতকাল, ভোট গণনার ৭২ ঘণ্টা আগে দীর্ঘ বৈঠক করেছিলেন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকাল ৫টা নাগাদ অভিষেক পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে। তার পর প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক হয়েছিল দু’জনের। কিন্তু কী নিয়ে কথা হয়েছে তা তৃণমূলের তরফে এখনও জানানো হয়নি। তবে অনুমান বৈঠকে গণনাকেন্দ্রে দলের রণকৌশল নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল।










